দিল্লি ও ইসলামাবাদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সিএনএনের সাংবাদিক নিক রবার্টসন দাবি করেছেন, পাকিস্তানের শক্তিশালী পাল্টা আক্রমণ ভারতের অবস্থানকে নাড়িয়ে দেয়, যার ফলে
সব বিমানের জন্য আকাশসীমা খুলে দিয়েছে পাকিস্তান। শনিবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তান বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। খবর আল-জাজিরা ও বিবিসির রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থাটি বলছে, দেশের আকাশসীমা সব ফ্লাইটের জন্য সম্পূর্ণরূপে পুনরুদ্ধার
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ভারত ও পাকিস্তান অবিলম্বে পুরোপুরি অস্ত্রবিরতিতে রাজি হয়েছে। এরপরই আলাদাভাবে দুই দেশ অস্ত্রবিরতিতে যাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বলেছেন, ভারত ও
ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ সেনা অভিযানের পাল্টা জবাব দিতে ‘অপারেশন বুনইয়ানুম মারসুস’ শুরু করেছে পাকিস্তান। এ অভিযানের আওতায় ইতোমধ্যে গতকাল শুক্রবার রাতে ভারতের ১১টি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনী।
২০২৫ সালে নয়াদিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের মহড়া চলাকালীন একজন নৌ কর্মকর্তা ব্রহ্মস অস্ত্র ব্যবস্থার পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। অপারেশন ‘বুনিয়ান উন মারসুস’ পরিচালনার করেছে পাকিস্তান। এর মাধ্যমে শুক্রবার (৯ মে)
স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরে যেতে চাইলে অবৈধ অভিবাসীদের বিনামূল্যে বিমানের টিকেট দেবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির স্থানীয় সময় শুক্রবার তিনি এ ঘোষণা দেন। এ সংক্রান্ত তিনি
পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার বলেছেন, ইসলামাবাদ প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে কাজ করছে। ভারতের সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়া ছাড়া আমাদের আর কোনও বিকল্প নেই। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ
ইইউ’র সাবেক পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলের ফেলা অর্ধেক বোমা তাদের সরবরাহ করা বলে মন্তব্য করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাবেক পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল। শুক্রবার (৯ মে)
কাশ্মীর ইস্যুতে চলমান উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তানকে প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার অতিরিক্ত ঋণ মঞ্জুর করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। যার পরিমাণ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি। যা
কাশ্মীর ইস্যুকে কেন্দ্র করে পাক-ভারত উত্তেজনা বাড়ছে ক্রমশ। হামলা পাল্টা হামলা ও সীমান্তে গোলাগুলির ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে নিয়মিত। এই অবস্থায় পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্রের দেখভাল করা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া