দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ২০টি শিল্প প্রতিষ্ঠানকে ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০২০’ দেওয়া হয়েছে। শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী ছয় ক্যাটাগরিতে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক ও প্রতিনিধিদের হাতে পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ তুলে দেওয়া হয়।
এ বছর বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে পাঁচটি, মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে পাঁচটি, ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে চারটি, মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে একটি, কুটির শিল্প ক্যাটাগরিতে দুটি এবং হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে তিনটি পুরস্কার দেওয়া হয়।
শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০২০’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার এবং এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।
এবার বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে রানার অটোমোবাইলস লিমিটেড এবং ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। যৌথভাবে দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও ফারিহা স্পিনিং মিলস্ লিমিটেড এবং এনভয় টেক্সটাইল লিমিটেড তৃতীয় পুরস্কার পেয়েছে।
শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন এমপি এর কাছ থেকে “রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০২০ (বৃহৎ শিল্প খাত)” গ্রহণ করেন রানার অটোমোবাইলস পিএলসি’র চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান।
শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন এমপি বলেন, দেশের অগ্রগতির জন্য বেসরকারি শিল্পখাত অনেক অবদান রেখে যাচ্ছেন, তিনি আশা করেন আগামী ৪র্থ শিল্প বিপ্লব ও আমাদের এই সকল শিল্পখাতের হাত ধরে আসবে।
পুরস্কার গ্রহণ শেষে রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেন, রাষ্ট্রপতির এই পুরস্কার আমাদের প্রেরণা এই পুরস্কার আমি আমার সকল কর্মীকে উৎসর্গ করলাম যারা নিরলস পরিশ্রম করে রানার অটোমোবাইল পিএলসি’কে এই পুরস্কার এনে দিয়েছেন।
রানার গ্রুপ বাংলাদেশের প্রথমসারির একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান যা ২০০০ সাল থেকে সুনাম ও সততার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে দেশের অর্থনীতিতে প্রতিনিয়ত অবদান রেখে চলেছে। রানার গ্রুপের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান রানার অটোমোবাইলস পিএলসি ২০১১ সাল থেকে ময়মনসিংহের ভালুকায় দেশের সর্ববৃহৎ এবং বিশ্বমানের নিজস্ব মোটরসাইকেল কারখানায় বাংলাদেশি রানার ব্র্যান্ডের বিভিন্ন মডেলের মোটরসাইকেল এবং যন্ত্রাংশ উৎপাদন ও বিপণন করছে। এ ছাড়া থ্রি উইলারের উৎপাদনকারী হিসেবে বছরের শুরুতে রানার বাজারে আসবে। রানার অটোমোবাইলস দেশের মানুষের আস্থা অর্জনের পাশাপাশি ২০১৭ সাল থেকে “রানার” “মেইড ইন বাংলাদেশ” ব্র্যান্ড-এর মোটরসাইকেল নেপাল ও ভূটান এ রপ্তানির মাধ্যমে প্রথম বাংলাদেশি অটোমোবাইল রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশের পতাকাকে বিদেশের মাটিতে নিয়ে গেছে এবং রপ্তানিশিল্পকে একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছে।
শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন এমপি বলেন, দেশের অগ্রগতির জন্য বেসরকারি শিল্পখাত অনেক অবদান রেখে যাচ্ছেন, তিনি আশা করেন আগামী ৪র্থ শিল্প বিপ্লব ও আমাদের এই সকল শিল্পখাতের হাত ধরে আসবে।
পুরস্কার গ্রহণ শেষে রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেন, রাষ্ট্রপতির এই পুরস্কার আমাদের প্রেরণা এই পুরস্কার আমি আমার সকল কর্মীকে উৎসর্গ করলাম যারা নিরলস পরিশ্রম করে রানার অটোমোবাইল পিএলসি’কে এই পুরস্কার এনে দিয়েছেন।
রানার গ্রুপ বাংলাদেশের প্রথমসারির একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান যা ২০০০ সাল থেকে সুনাম ও সততার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে দেশের অর্থনীতিতে প্রতিনিয়ত অবদান রেখে চলেছে। রানার গ্রুপের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান রানার অটোমোবাইলস পিএলসি ২০১১ সাল থেকে ময়মনসিংহের ভালুকায় দেশের সর্ববৃহৎ এবং বিশ্বমানের নিজস্ব মোটরসাইকেল কারখানায় বাংলাদেশি রানার ব্র্যান্ডের বিভিন্ন মডেলের মোটরসাইকেল এবং যন্ত্রাংশ উৎপাদন ও বিপণন করছে। এ ছাড়া থ্রি উইলারের উৎপাদনকারী হিসেবে বছরের শুরুতে রানার বাজারে আসবে। রানার অটোমোবাইলস দেশের মানুষের আস্থা অর্জনের পাশাপাশি ২০১৭ সাল থেকে “রানার” “মেইড ইন বাংলাদেশ” ব্র্যান্ড-এর মোটরসাইকেল নেপাল ও ভূটান এ রপ্তানির মাধ্যমে প্রথম বাংলাদেশি অটোমোবাইল রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশের পতাকাকে বিদেশের মাটিতে নিয়ে গেছে এবং রপ্তানিশিল্পকে একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছে।
মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নোমান টেরি টাওয়াল মিলস্ লিমিটেড, যৌথভাবে দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে মাসকোটেক্স লিমিটেড ও এপিএস ডিজাইন ওয়ার্কস লিমিটেড। যৌথভাবে তৃতীয় পুরস্কার পেয়েছে বেঙ্গল পলিমার ওয়্যারস্ লিমিটেড ও অকো-টেক্স লিমিটেড।
ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে মাসকো ওভারসিজ লিমিটেড। যৌথভাবে দ্বিতীয় হয়েছে আব্দুল জলিল লিমিটেড এবং প্যাসিফিক সি ফুডস লিমিটেড। তৃতীয় মাধবদী ডাইং ফিনিশিং মিলস্ লিমিটেড।
মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে একটি প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়েছে। এটি হলো মাসকো ডেইরি এন্টারপ্রাইজ। কুটির শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে ইন্টেলিজেন্ট কার্ড লিমিটেড এবং দ্বিতীয় হয়েছে রং মেলা নারী কল্যাণ সংস্থা (আরএনকেএস)। হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে ফেয়ার ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড, দ্বিতীয় হয়েছে মীর টেলিকম লিমিটেড এবং তৃতীয় হয়েছে সার্ভিস ইঞ্জিন লিমিটেড।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার প্রদান সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী ২০১৩’ অনুযায়ী ২০১৪ সালে প্রথমবার এ পুরস্কার দেওয়া হয়। এ বছর ষষ্ঠবারের মতো ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০২০’ দেওয়া হয়।