পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত চামড়া খাতের বাটা শু কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেডের পর্ষদ সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য ১০৫ শতাংশ চূড়ান্ত লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভা থেকে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদনের পাশাপাশি এ লভ্যাংশের সুপারিশ করা হয়।
এর আগে আলোচ্য হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকের (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে শেয়ারহোল্ডারদের ২৬০ শতাংশ অন্তবর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বাটা শু। সে মোতাবেক ২০২২ হিসাব বছরের জন্য মোট ৩৬৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পাবে শেয়ারহোল্ডাররা।
নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বাটা শুর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৯ টাকা ৯৮ পয়সা। এর আগের হিসাব বছরে যেখানে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছিল ৫ টাকা ১ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৫২ টাকা ১৬ পয়সায়। এর আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৫২ টাকা ৩৩ পয়সায়।
এর আগে ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহেল্ডারদের ২৫ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বাটা শু। এর আগে আলোচ্য হিসাব বছরের জন্য ৭৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন শেয়ারহোল্ডাররা। সে হিসাবে ২০২১ হিসাব বছরে মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। ২০২০ হিসাব বছরে লোকসান হওয়ার কারণে বাটা শু শেয়ারহোল্ডারদের শুধুমাত্র ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। যেখানে এর আগের হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা ১২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন।