#আল্লাহর জন্য মুখলিস (একনিষ্ঠ) হওয়া।
#কথা ও কাজে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণ করা।
#ইহরাম করার ২/১ দিন পূর্বে শারীরিক পরিচ্ছন্নতা অর্জন করা।
#ইহরামের পুর্বে ফরজ গোসলের মত গোসল করবে, নর-নারী উভয়ের ক্ষেত্রে ইহরামের জন্য গোসল করা সুন্নত। এমনকি হায়েয ও নিফাসগ্রস্ত নারীদের ক্ষেত্রেও। পুরুষগন মাথা বা দাঁড়িতে মিসক বা অন্য যে সুগন্ধি তার কাছে থাকে সেটা লাগাবে। সুগন্ধির আলামত যদি ইহরাম করার পরেও থেকে যায় তাতে কোন অসুবিধা নেই।
#গোসল ও সুগন্ধি ব্যবহারের পর ইহরামের কাপড় পরিধান করবে। এরপর ফরজ নামাযের ওয়াক্ত হলে ফরজ নামায আদায় করবে। ফরজ নামাযের ওয়াক্ত না হলে ওজুর বা সফরের সুন্নত হিসেবে দুই রাকাত নামায আদায় করবে।
#সফরের জন্য বের হওয়ার পূর্বে এবং সফররত অবস্থায় রসূল (স.) প্রদর্শিত সফরের সবগুলো দু’আ করা। বিশেষ ভাবে নিচের দোয়াটি পড়ে সফর শুরু করা।
বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহি ওয়া লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
অর্থ: আল্লাহর নামে, আল্লাহর ওপর ভরসা করে বের হচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোনো ভালো কাজ করার কিংবা মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকা সম্ভব নয়।
#ইহরামের কাপড় যেকোন জায়গায় পড়া যায় কিন্তু ইহরাম বাধতে হবে মিকাত থেকে অর্থাৎ কাপড় পড়ার পর নিয়্যত ও তালবীয়া পরবে মিকাত থেকে। এর আগেও নয়, পরেও নয়। অর্থাৎ ইহরামের সময় ওজু/গোসল করে পুরুষদের সেলাই বিহীন ২টি কাপড় পরিধান করা, ২ রাকাত নামাজ পড়ে মীক্বাত হতে উমরাহ’র জন্য নিয়ত করা, তালবিয়া পড়া, দরুদ পড়া, দু’আ করা। মহিলা গন স্বাভাবিক পোশাক পরিধান করবেন।
উমরার নিয়্যত ও তালবীয়া:
লাব্বাইকাল্লাহুম্মা বি উমরাতিন (অর্থ: হে আল্লাহ! উমরাকারী হিসেবে আপনার দরবারে হাজির)। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেভাবে তালবিয়া পড়েছেন সেভাবে তালবিয়া পড়বে। সেই তালবিয়া হচ্ছে-
লাব্বাইকাল্লাহুম্মা লাব্বাইক। লাব্বাইকালা শারিকা লাকা লাব্বাইক। ইন্নাল হামদা ওয়ান নি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক। লা শারিকা লাক।
উল্লেখ্য, যে ব্যক্তি ইহরাম করতে যাচ্ছেন তিনি যদি কোনো প্রতিবন্ধকতা যেমন রোগ, শত্রু বা গ্রেফতার ইত্যাদি কারণে নুসুক তথা হজ্ব বা উমরা শেষ করতে না পারার আশঙ্কা করেন তাহলে ইহরাম বাঁধার সময় শর্ত করে নেয়া বাঞ্ছনীয়।
ইহরামকালে তিনি বলবেন:
ইন হাবাসানি হাবেস ফা মাহিল্লি হাইসু হাবাসতানি (অর্থ- যদি কোন প্রতিবন্ধকতা- যেমন রোগ, বিলম্ব ইত্যাদি আমার হজ্ব পালনে- বাধা হয়ে দাঁড়ায় তাহলে আমি যেখানেপ্রতিবন্ধকতার শিকার হই সেখানে ইহরাম থেকে হালাল হয়ে যাব)।
#তালবিয়া, মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালার জিকির, তাকওয়া, ধৈর্য ও পর্দার সাথে পবিত্র মক্কায় পৌঁছা। ইহরামকারীর উচিত অধিক তালবিয়া পাঠ করা। বিশেষতঃ সময় ও অবস্থার পরিবর্তনগুলোতে। যেমন উঁচুতে উঠার সময়। নিচুতে নামার সময়। রাত বা দিনের আগমনকালে। তালবিয়া পাঠের পর আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত প্রার্থনা করা এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা।
উমরার ক্ষেত্রে ইহরামের শুরু থেকে তওয়াফ শুরু করার আগ পর্যন্ত তালবিয়া পড়ার বিধান রয়েছে।তওয়াফ শুরু করলে তালবিয়া পড়া ছেড়ে দিবে।
#মক্কার হোটেল হতে অজু/গোসল করে ও পবিত্র হয়ে তালবিয়া পাঠ করতে করতে মসজিদুল হারামে পৌঁছান। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা প্রবেশের সময় গোসল করেছিলেন।[সহিহ মুসলিম (১২৫৯)]
#দু’আ পড়ে, ডান পা দিয়ে হারামে প্রবেশ করে, তালবিয়া বন্ধ করে তাওয়াফের জন্য হজরে আসওয়াদ পৌঁছা।
মসজিদে হারামে প্রবেশের সময় ডান পা আগে দিবে এবং বলবে:
(অর্থ- আল্লাহর নামে শুরু করছি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। হে আল্লাহ! আমার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিন। আমার জন্য আপনার রহমতের দুয়ারগুলো খুলে দিন। আমি বিতাড়িত শয়তান হতে মহান আল্লাহর কাছে তাঁর মহান চেহারারমাধ্যমে, তাঁর অনাদি রাজত্বেরমাধ্যমে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।)
#এরপর তওয়াফ শুরু করার জন্য হাজরে আসওয়াদের দিকে এগিয়ে যাবে। ডান হাত দিয়ে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করবে ও চুমু খাবে। যদি হাজরে আসওয়াদে চুমু খেতে না পারে হাত দিয়ে স্পর্শ করবে ও হাতে চুমু খাবে (স্পর্শ করার মানে হচ্ছে- হাত দিয়ে ছোঁয়া)। যদি হাত দিয়ে স্পর্শ করতে না পারে তাহলে হাজারে আসওয়াদের দিকে মুখ করে হাত দিয়ে ইশারা করবে এবং তাকবির বলবে; কিন্তু হাতে চুমু খাবে না।
#‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবর’ বলে তাওয়াফ আরম্ভ করা। প্রথম ৩ চক্কর বীরদর্পে প্রদক্ষিণ করা (পুরুষদের জন্য)
#রুকনে ইয়ামেনিতে (হাজারে আসওয়াদের পর তৃতীয় কর্নার) পৌঁছবে তখন সে কর্নারটি চুমু ও তাকবির ছাড়া শুধু স্পর্শ করবে। যদি স্পর্শ করা সম্ভব না হয় তাহলে তওয়াফ চালিয়ে যাবে; ভিড় করবে না। রুকনে ইয়ামেনি ও হাজারে আসওয়াদের মাঝখানে এলে বলবেন:
(অর্থ- হে আমাদের রব! আমাদিগকে দুনিয়াতেও কল্যাণ দান করুন এবং আখেরাতেও কল্যাণ দান করুন এবং আমাদিগকে দোযখের আযাব থেকে রক্ষা করুন।)
[সুনানে আবু দাউদ, আলবানী ‘সহিহ আবু দাউদ’ গ্রন্থে হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলেছেন]
যখনই হাজারে আসওয়াদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে তখনই হাজারে আসওয়াদ অভিমুখী হয়ে তাকবীর বলবে। তওয়াফের অন্য অংশে যা কিছু খুশি যিকির, দুআ ও কুরআন তেলাওয়াত করবে। বায়তুল্লাহতে তওয়াফের বিধান দেয়া হয়েছে আল্লাহর যিকিরকে সমুন্নত করার জন্য।
#হজরে আসওয়াদকে চুমু খেয়ে/ইশারা করে ‘আল্লাহু আকবর’ বলে ২য় চক্কর আরম্ভ করে এভাবে ৭ চক্কর পূর্ণ করা
তওয়াফের মধ্যে পুরুষকে দুইটি কাজ করতে হয়:
১. তওয়াফের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ইজতেবা করা। ইজতেবা মানে- ডান কাঁধ খালি রেখে চাদরের মাঝের অংশ বগলের নীচ দিয়ে এনে চাদরের পার্শ্ব বাম কাঁধের উপর ফেলে দেয়া। তওয়াফ শেষ করার পর চাদর পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিবে। কারণ ইজতেবা শুধু তওয়াফের মধ্যে করতে হয়।
২. তওয়াফের প্রথম তিন চক্করে রমল করা। রমল মানে হচ্ছে- ছোট ছোট পদক্ষেপে দ্রুত হাঁটা। আর বাকি ৪ চক্করে রমল নেই বিধায় স্বাভাবিক গতিতে হাঁটবে। ৭ চক্কর তওয়াফ শেষ করার পর ডান কাঁধ ঢেকে নিয়ে মাকামে ইব্রাহিমে আসবে এবং পড়বে-
(অর্থ- আরতোমরা মাকামে ইব্রাহিমকে তথা ইব্রাহীমের দাঁড়ানোর জায়গাকে নামাযের জায়গা বানাও।) [সূরা বাকারা, আয়াত: ১২৫]
#তাওয়াফ শেষ। ডান কাঁধ ঢেকে দিয়ে, মাকামে ইব্রাহীমের পিছনে ২ রাকাত সলাতুত তাওয়াফ আদায় করা।
প্রথম রাকাতে সূরা ফাতিহার পর সূরা কাফিরুন পড়বে। দ্বিতীয় রাকাতে সূরা ফাতিহার পর সূরা ইখলাস পড়বে।
নামায শেষ করার পর হাজারে আসওয়াদের নিকট এসে সম্ভব হলে হাজারে আসওয়াদ স্পর্শ করবে। এক্ষেত্রে শুধু স্পর্শ করা সুন্নত। যদি স্পর্শ করা সম্ভবপর না হয় তাহলে ফিরে আসবে; ইশারা করবে না।
#জমজমের পানি পান করা (নিয়ম এবং দু’আর সাথে) এবং কিছুটা মাথায় ছিটানো।
জমজমের পানি পান করার দোয়া –
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ‘ইলমান না ফি‘আ, ওয়া রিযক্বন ওয়া সি‘আ, ওয়া শিফা আম মিন কুল্লি দা ইন।
অর্থ: হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার নিকট উপকারী ইলম এবং হালাল প্রশস্ত রিজিক এবং সর্বপ্রকার রোগের শিফা চাচ্ছি।
জমজম পানি পানের সুন্নাহ:
১. বিসমিল্লাহ বলুন, ২. ক্বিবলামুখী হোন, ৩. দু’আ করুন, ৪. তিন নিশ্বাসে পান করুন, ৫. তৃপ্তি সহকারে পেট ভরে পান করুন, ৬. পানি পান শেষে আল’হামদুলিল্লাহ বলুন। ৭.জমজমরে পানি দাঁড়য়িওে পান করা যায় তবে বাধ্যতামুলক নয় ।
#সাফা-মারওয়া সাঈ করা। সাফা হতে আরম্ভ করে ও ২ সবুজবাতিতে দ্রুত হাটা। সাফাতে প্রতিবার দু’আ করা
যখন সাফা পাহাড়ের নিকটবর্তী হবে তখন পড়বে
(অর্থ- “নিঃসন্দেহে সাফা ও মারওয়া আল্লাহ তা’আলার নিদর্শনগুলোর অন্যতম”) [সূরা বাকারা, আয়াত: ১৫৮] এরপর বলবে: (نبدأ بما بدأ الله به) (অর্থ- আল্লাহ যা দিয়ে শুরু করেছেন আমরাও তা দিয়ে শুরু করছি)
অতঃপর সাফা পাহাড়ে উঠবে যাতে করে কাবা শরিফ দেখতে পায়। কাবা নজরে আসলে কাবাকে সামনে রেখে দুই হাত তুলে দুআ করবে। দুআর মধ্যে আল্লাহর একত্ববাদ, বড়ত্ব ও প্রশংসার ঘোষণা দিয়ে বলবেন,
আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারীকালাহু লাহুল্ মুল্কু ওয়ালাহুল হাম্দু ইউহয়ী ওয়া ইয়ুমীতু ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারীকালাহু আনজাযা ওয়াদাহু, ওয়া নাছারা আবদাহু ওয়া হাযামাল আহযাবা ওয়াহদাহ্।)
‘আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান! আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি এক। তাঁর কোন শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই। প্রশংসাও তাঁর। তিনি জীবন ও মৃত্যু দেন। আর তিনি সকল বিষয়ের ওপর ক্ষমতাবান। একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। তাঁর কোনো শরীক নেই। তিনি তাঁর অঙ্গীকার পূর্ণ করেছেন; তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং একাই শত্রু-দলগুলোকে পরাজিত করেছেন।’
এই যিকিরটি ৩ বার উচ্চারণ করবেন এবং এর মাঝে দুআ করবেন। একবার এই যিকিরটি বলবেন এরপর দোয়া করেন। দ্বিতীয়বার যিকিরটি বলবেন এবং এরপর দুআ করবেন। তৃতীয়বার যিকিরটি বলে মারওয়া পাহাড়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে যাবেন। তৃতীয়বারে আর দুআ করবেন না।
>> যখন সবুজ কালার চিহ্নিত স্থানে পৌঁছবেন তখন দৌঁড়াবেন। কিন্তু কাউকে কষ্ট দিবেন না। এবং এখানে দোয়া করবেন,
উচ্চারণ: ‘রাব্বিগফির ওয়ারহাম ইন্নাকা আনতাল আআ’যযুল আকরাম। দ্বিতীয় সবুজ রঙ চিহ্নিত স্থান থেকে স্বাভাবিক গতিতে হাঁটবেন। এভাবে মারওয়াতে পৌঁছবে।
>> মারওয়ার উপরে উঠে কিবলামুখি হয়ে হাত তুলে দুআ করবে। সাফা পাহাড়ের উপর যা যা পড়েছে ও বলেছে এখানে তা তা পড়বে ও বলবে। এরপর মারওয়া থেকে নেমে সাফার উদ্দেশ্যে হেঁটে যাবে। স্বাভাবিকভাবে হাঁটার স্থানে হেঁটে পার হবে; আর দৌঁড়াবার স্থানে দৌঁড়ে পার হবে। সাফাতে পৌঁছার পর পূর্বে যা যা করেছে তা তা করবে। মারওয়ার উপরেও আগের মত তা তা করবে। এভাবে সাত চক্কর শেষ করবে। সাফা থেকে মারওয়া গেলে এক চক্কর। মারওয়া থেকে সাফাতে এলে এক চক্কর। তার সায়ীর মধ্যে যা খুশি যিকির, দুআ, কুরআন তেলাতেয়াত করতে পারবে।
জ্ঞাতব্যঃ
(إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ)
(অর্থ-“নিঃসন্দেহে সাফা ও মারওয়া আল্লাহ তা’আলার নিদর্শনগুলোর অন্যতম”) [সূরা বাকারা, আয়াত: ১৫৮] এই আয়াতটি শুধু সায়ীর শুরুতে সাফার নিকটবর্তী হলে পড়বে। সাফা-মারওয়াতে প্রতিবার আয়াতটি পড়বে না যেমনটি কিছু কিছু মানুষ করে থাকে।
>> ৭ চক্কর সায়ী শেষ করার পর বাম পা দিয়ে দোয়া করে মাসজীদ থেকে বে হয়ে আসুন।
>> মাসজীদ থেকে বের হয়ে পুরুষ হলে মাথা মুণ্ডন করবে অথবা মাথার চুল ছোট করবে।
মুণ্ডন করলে মাথার সর্বাংশের চুল মুণ্ডন করতে হবে। অনুরূপভাবে চুল ছোট করলে মাথার সর্বাংশের চুল ছোট করতে হবে। মাথা মুণ্ডন করা চুল ছোট করার চেয়ে উত্তম। কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাথা মুণ্ডনকারীদের জন্য তিনবার দুআ করেছেন; আর চুল ছোটকারীদের জন্য একবার দুআ করেছেন। [সহিহ মুসলিম (১৩০৩)] পক্ষান্তরে নারীরা আঙ্গুলের এক কর পরিমাণ মাথার চুল কাটবে।
>> উমরাহ’র কার্যাবলী সম্পন্ন হয়েছে। গোসল করে স্বাভাবিক পোষাক পরিধান করুন।
এই আমলগুলোর মাধ্যমে উমরা সমাপ্ত হবে। অতএব, উমরার মধ্যে রয়েছে- ইহরাম, তওয়াফ, সায়ী, মাথা মুণ্ডণ বা মাথার চুল ছোট করা।
আমরা আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা করছি তিনি যেন আমাদেরকে নেক আমল করার তাওফিক দেন। তিনি যেন আমাদের আমলগুলো কবুল করে নেন। নিশ্চয় তিনি নিকটবর্তী ও প্রার্থনা কবুলকারী।