অধিকৃত পশ্চিম তীরের কুসরা গ্রামে ফিলিস্তিনিদের বাড়িতে ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীদের হামলা ও অবরোধের নিন্দা জানিয়েছে ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ। তিনি এ ঘটনাকে ‘বেআইনি’ বলে উল্লেখ করেছেন। খবর আল জাজিরার
হারজোগ বলেন, এই হামলা ‘ইসরাইলের জন্য একটি কলঙ্ক’। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
হিব্রু ভাষায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে হারজোগ বলেন, ‘আমি ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) পাশে আছি, যারা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।’
গত ৯ আগস্ট থেকে ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীরা কুসরা গ্রামের তিনটি ফিলিস্তিনি বাড়ি ঘিরে রেখেছে। এতে বাড়িগুলোতে বসবাসকারী পরিবারগুলো কার্যত ভেতরে আটকা পড়ে গেছে। তাদের পানি, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরবরাহের পথও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার নির্মাণাধীন আরও একটি ফিলিস্তিনি বাড়িতেও হামলা চালানো হয়।
একটি ঘটনায় কয়েক ডজন ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারী কুসরার একটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে পাথর ছোড়ে। তখন বাসিন্দারা বাড়ির ভেতরে আশ্রয় নেন। পরে ইসরাইলি বাহিনী তাদের ওপর কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে এবং আটক করে—হামলাকারীদের হাত থেকে তাদের সুরক্ষা দেওয়ার পরিবর্তে।
আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় দখলদার বাহিনীর দায়িত্ব হলো বেসামরিক মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া।
কুসরার ঘটনাগুলো পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতার বৃহত্তর ধারাবাহিকতার অংশ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে হেবরনে একটি খামারে হামলা এবং জালুদে এক ফিলিস্তিনি দম্পতি ও একটি মার্কিন সংবাদ দলের ওপর হামলার ঘটনাও রয়েছে।
(যুগান্তর)