নেপাল ও চীনে ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৬৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শুধু নেপালেই ৬২৬ জনের মরদেহ মিলেছে। আর চীনের তিব্বতে এখন পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। দুই দেশ মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার ৫০০-এর বেশি মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবং চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। খবর এনডিটিভির।
ভয়াবহ এই ট্র্যাজেডির তৃতীয় দিনেও উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর ১৪ হাজারেরও বেশি সদস্য উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছেন। তারা এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার ৭৪২ জনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন।
২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর এটিই নেপালের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী বিপর্যয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, একটি হিমবাহ ধসে বরফ ও কাদা-মাটির মিশ্রণ তৈরি হওয়া ঢলে এই বিপর্যয় নেমে আসে।
তিব্বত অংশের একটি বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর শুক্রবার নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে নেপাল পুলিশ। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং উদ্ধার ও ত্রাণকর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে অবিলম্বে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশও দেয়া হয়েছে।
ধ্বংসাবশেষ জমা হয়ে গঠিত একটি কৃত্রিম হ্রদ উপচে পড়তে শুরু করলে চীন সাময়িকভাবে উদ্ধার কাজ স্থগিত করে। তবে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম পরবর্তীতে জানায়, বিপদের ঝুঁকি কমে আসায় উদ্ধার তৎপরতা পুনরায় চালু করা হয়েছে।