দেশের বাজারে আরেক দফা স্বর্ণের গহনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম হয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ হাজার ৫৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ হাজার ৩৪১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩ হাজার ১৮৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এ ছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।
এর আগে গত ২২ আগস্ট স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেদিন ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
তার আগে ২০ আগস্ট ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম বাড়ানো হয় ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা। এতে টানা তিন দফায় ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম বাড়ানো হলো ১০ হাজার ৯৬৪ টাকা।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১০৭ বার সমন্বয় করা হয় স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৫৫ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৫১ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়, আর কমানো হয় ২৯ বার।