জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ৪৯ জন। তাদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ঘোষিত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে তিনজন টেকনোক্র্যাট কোটায় জায়গা পেয়েছেন।
শপথগ্রহণের জন্য অনুষ্ঠানস্থলে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের নাম ঘোষণা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। প্রথমে মন্ত্রী ও পরে প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৫ জন সংসদ সদস্য মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।
পূর্ণ মন্ত্রী হতে যাওয়া ২৫ জন হলেন—মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়), আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (অর্থ মন্ত্রণালয়; পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়), সালাহউদ্দিন আহমদ (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়), ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু (বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়), হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়), এ জেড এম জাহিদ হোসেন (মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়), খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট-পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়), আবদুল আউয়াল মিন্টু (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়), কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ (ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়), মিজানুর রহমান মিনু (ভূমি মন্ত্রণালয়), নিতাই রায় চৌধুরী (সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়), খন্দকার আবদুল মুক্তাদির (বাণিজ্য মন্ত্রণালয়; শিল্প মন্ত্রণালয়; বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়), আরিফুল হক চৌধুরী (শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়), জহির উদ্দিন স্বপন (তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়), আমিন উর রশিদ (টেকনোক্র্যাট- কৃষি মন্ত্রণালয়; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; খাদ্য মন্ত্রণালয়), আফরোজা খানম রিতা (বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়), শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি (পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়), আসাদুল হাবীব দুলু (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়), মো. আসাদুজ্জামান (আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়), জাকারিয়া তাহের সুমন (গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়), দীপেন দেওয়ান (পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়), আ ন ম এহসানুল হক মিলন (শিক্ষা মন্ত্রণালয়; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়), সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল (স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়), ফকির মাহবুব আনাম (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়), শেখ রবিউল আলম (সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়; রেলপথ মন্ত্রণালয়; নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়)।
প্রতিমন্ত্রী হতে যাওয়া ২৪ জন হলেন—এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত (বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়), অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়), শরীফুল আলম (বাণিজ্য মন্ত্রণালয়; শিল্প মন্ত্রণালয়; বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়), শামা ওবায়েদ ইসলাম (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়), সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু (কৃষি মন্ত্রণালয়; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; খাদ্য মন্ত্রণালয়), ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (ভূমি মন্ত্রণালয়), ফরহাদ হোসেন আজাদ (পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়), মো. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট-যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষইয়ক মন্ত্রণালয়), মো. আব্দুল বারী (জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়), মীর শাহে আলম (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়), মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (অর্থ মন্ত্রণালয়; পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়), ইশরাক হোসেন (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়), ফারজানা শারমিন পুতুল (মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়; সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়), শেখ ফরিদুল ইসলাম (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়), নুরুল হক নুর (শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়), ইয়াসের খান চৌধুরী (তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়), এম ইকবাল হোসেন (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়), এম এ মুহিত (স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়), আহমেদ সোহেল মঞ্জুর (গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়), ববি হাজ্জাজ (শিক্ষা মন্ত্রণালয়; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়), আলী নেওয়াজ খৈয়াম (সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়)।
এছাড়া হাবিবুর রশিদ হাবিব ও রাজিব আহসানকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তবে কে কোন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হবেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের আগে শপথ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি। অনুষ্ঠানস্থলে এ সময় তারেক রহমানের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। শপথগ্রহণের পর তিনি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে হাত মেলান ও পরে নথিতে স্বাক্ষর করেন।
প্রধানমন্ত্রীর শপথগ্রহণ উপলক্ষে দেশি-বিদেশি কয়েক’শ অতিথি অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত ছিলেন।