টাঙ্গাইল থেকে রংপুর পর্যন্ত মহাসড়কটিতে চার লেনের উন্নয়নকাজ শেষের পথে। এ কাজে ব্যয় হচ্ছে ১৯ হাজার ৫৬ কোটি টাকা। এ দুই প্রকল্পের মাধ্যমে ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় হলেও ঈদযাত্রায় যানজট পিছু ছাড়ছে না ঢাকা-টাঙ্গাইল-রংপুর মহাসড়কে। ঈদুল ফিতরের মতো এবার ঈদুল আজহার যাতায়াতেও যানজটের ভোগান্তিতে পড়ছেন উত্তরাঞ্চলগামী যাত্রীরা। মহাসড়কটির কড্ডা-চন্দ্রা এবং চন্দ্রা-নবীনগর অংশে ২০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানজট দেখা দেয়। শুধু যানজট নয়, ঈদযাত্রায় মহাসড়কটি হয়ে ওঠে দুর্ঘটনাপ্রবণও। সোমবার টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রড বোঝাই ট্রাক উল্টে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে চলমান উন্নয়নকাজ ঢাকা-টাঙ্গাইল-রংপুর মহাসড়কে যানজটের অন্যতম কারণ। মহাসড়কটির আশপাশে গড়ে ওঠা হাটবাজার এবং নানামুখী বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনাও যানজট তৈরি করছে। এছাড়া বিদ্যমান যমুনা সেতুকে মহাসড়কটির যানজটের অন্যতম উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তারা।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান বলেন, ‘একটি পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামোর যে চরিত্র, সেটি আমরা পাচ্ছি না। কাজ দীর্ঘদিন ধরে চলায় কোথাও দুই লেন থেকে চার লেন হচ্ছে, আবার কোথাও চার লেনের কাজ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। ফ্লাইওভারের কাজও আংশিক হয়েছে। ফলে এত বিশাল বিনিয়োগের পরও পুরো চার লেনের সুবিধা বা গতি আমরা তৈরি করতে পারিনি, অনেক জায়গায় বটলনেক (সংকুচিত পথ) রয়ে গেছে।’ অধ্যাপক হাদিউজ্জামান হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘বিশাল বিনিয়োগ হলেও আমরা ল্যান্ডইউজ প্ল্যান বা ভূমি ব্যবস্থাপনা করতে পারিনি। এটি আমাদের বড় ব্যর্থতা। শুধু অবকাঠামো তৈরি করলেই হবে না, অবকাঠামোর সঙ্গে ভূমি ব্যবস্থাপনার ইন্টিগ্রেটেড বা সমন্বিত পরিকল্পনা জরুরি। তা না হলে বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও কাঙ্ক্ষিত গতি যেমন আসবে না, তেমনি সড়ক দুর্ঘটনা কমানো বা সেফ মবিলিটি (নিরাপদ চলাচল) নিশ্চিত করাও সম্ভব হবে না। আর এর বড় মাশুল আমাদের দিতে হবে।’
এদিকে এবারের ঈদযাত্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-রংপুর মহাসড়কে ২৫টি ঝুঁকিপূর্ণ স্পট চিহ্নিত করেছে হাইওয়ে পুলিশ। এসব জায়গায় অতিরিক্ত গাড়ি, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা এবং পশুবাহী ট্রাকের কারণে তীব্র যানজট তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে চন্দ্রা ফ্লাইওভারের পশ্চিম প্রান্ত, কালিয়াকৈর, এলেঙ্গা, যমুনা সেতু টোল প্লাজা, হাটিকুমরুল আন্ডারপাসসহ বিভিন্ন মোড়, বাজার ও হোটেলের সামনে গাড়ির গতি ধীর হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশ বেশকিছু ঝুঁকিপূর্ণ স্পট চিহ্নিত করলেও সরকারের সেতু বিভাগ বলছে, এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত অংশে বর্তমান অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং গৃহীত সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপের ফলে ঈদের সময়ে যানবাহন চলাচলে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা বা যানজটের আশঙ্কা নেই।
এ প্রসঙ্গে সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, ‘বিগত বছরগুলোতে এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত অংশটি ঈদযাত্রায় বড় চ্যালেঞ্জ হলেও এবার কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। নির্মিত দুই লেনের সার্ভিস সড়ক ও মূল সড়কের সমন্বয়ে পুরো অংশে কার্যত চার লেনের সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে, যার ফলে যানবাহন স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারবে। এছাড়া যমুনা সেতুর পূর্ব গোলচত্বর থেকে ইব্রাহিমাবাদ রেল স্টেশন পর্যন্ত ৭০০ মিটার নতুন সড়কও যান চলাচলের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।’ বণিক বার্তা
ঈদ ঘিরে ঢাকা ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। ঢাকা থেকে বের হওয়ার অন্যতম পথ সায়েদাবাদ ও আশপাশের সড়কে তীব্র যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা। বিশেষ করে খিলগাঁও ফ্লাইওভার, যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ ও শনিরআখড়া এলাকাজুড়ে দীর্ঘ যানজটের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে দেখা গেছে দূরপাল্লার বাসগুলোকে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে সায়েদাবাদের দিকে আসা সড়কগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি। ব্যক্তিগত গাড়ি, দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও মোটরসাইকেলের চাপে ধীরগতিতে চলছিল যানবাহন। কোথাও কোথাও কয়েক কিলোমিটারজুড়ে সৃষ্টি হয় স্থবিরতা।
চুয়াডাঙ্গার দর্শনাগামী ‘দর্শনা ডিলাক্স’ বাস সকাল ৮টায় সায়েদাবাদ থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসটি খিলগাঁও ফ্লাইওভারের ওপরে যানজটে আটকে থাকতে দেখা যায়।
বাসটির চালক সালাম বলেন, উত্তরা, বসুন্ধরা, বাড্ডা, রামপুরা পর্যন্ত তেমন জ্যাম ছিল না। কিন্তু এখানে এসে পুরোপুরি আটকে গেছি। এরই মধ্যে দেড় ঘণ্টা দেরি হয়ে গেছে। এখান থেকে গাড়ির চাকা তো ঘুরছেই না। সায়েদাবাদে কখন পৌঁছাবো বুঝতে পারছি না। তিনি বলেন, ঈদের সময় মানুষ একসঙ্গে ঢাকা ছাড়তে শুরু করায় সড়কে চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ। তার ওপর সড়কের বিভিন্ন জায়গায় যত্রতত্র বাস থামানো ও যাত্রী ওঠানামার কারণেও যানজট আরও তীব্র হচ্ছে।
ঝিনাইদহগামী গোল্ডেন লাইন পরিবহনের একটি বাসের সহকারী রফিকুল ইসলাম বলেন, কমলাপুরের গরুর হাট এবং রাস্তার দূরপাল্লার বাড়তি গাড়ির কারণে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে সবাই ট্রিপ বাড়িয়েছেন। এ কারণে রাস্তার এ অবস্থা।
আরেক পরিবহন শ্রমিক আব্দুল কাদের বলেন, অনেক যাত্রী নির্ধারিত সময়ে কাউন্টারে এসে গাড়ি পাচ্ছেন না। আবার যারা গাড়িতে উঠেছেন, তারাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে আছেন। এতে যাত্রী আর শ্রমিক দুপক্ষই কষ্টে আছে।
যানজটে আটকে থাকা বাসগুলোতে শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের ভোগান্তি ছিল সবচেয়ে বেশি। দীর্ঘ সময় গাড়ি আটকে থাকায় অনেককে বাস থেকে নেমে হাঁটাহাঁটি করতে দেখা যায়।
ফরিদপুরগামী যাত্রী মুহিতুন নাহার বলেন, বাড্ডা থেকে বাসে উঠেছি। এ পর্যন্ত (খিলগাঁও ফ্লাইওভার) ভালোভাবেই এলাম। কিন্তু এখানে আসার পর গাড়ি তো আর এগোচ্ছে না। ২০ মিনিটের ওপরে হয়ে গেছে, এক জায়গায় বসে আছি। কখন সায়েদাবাদ যাবো, আর কখন বাড়ি পৌঁছাবো বুঝতে পারছি না।
পোশাককর্মী মেহেদী হাসান বলেন, উত্তরা থেকে বাসে উঠেছি মাগুরা যাওয়ার জন্য। সায়েদাবাদে গাড়ি ৮টার আগে পৌঁছানোর কথা, কিন্তু সাড়ে ৯টা বেজে গেছে খিলগাঁও পার হতে পারলাম না। এখানেই আধা ঘণ্টার মতো আটকে আছে। এভাবে গাড়িতে বসে থাকতে খুব কষ্ট হয়।
ইয়ানুর নামের অন্য এক যাত্রী বলেন, টিকিটে যে সময় লেখা ছিল, বাস্তবে তার সঙ্গে কোনো মিল নেই। রাস্তায় এত জ্যাম যে কখন গন্তব্যে পৌঁছাবো বুঝতে পারছি না। তারপরও পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে যাচ্ছি বলে কষ্টটা গায়ে লাগছে না। জাগো নিউজ
ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিনে রাজধানী ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে উত্তরবঙ্গের ঘরমুখো মানুষ। এদিকে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, বৃষ্টি ও যমুনা সেতু সংযোগ সড়কে রাতে একাধিক গাড়ি বিকল হওয়ায় ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনাসেতু মহাসড়কে ২২ কিলোমিটার এলাকায় থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (২৫ মে) রাত থেকে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে মহাসড়কের রাবনা পর্যন্ত যানবাহনের থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত মহাসড়কে যানবাহনের এরকম চিত্র দেখা গেছে। এতে ঈদে ঘরমুখো মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের দুর্ভোগ বেশি হচ্ছে।
রাত থেকেই মহাসড়কের গোড়াই, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল বাইপাস, রাবনা বাইপাস, এলেঙ্গা ও যমুনা সেতু পূর্ব পাড় পর্যন্ত যানবাহনের থেমে থেমে যানজট শুরু হয়। দূরপাল্লার যানবাহনের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে করে নিজ গন্তব্যে যাচ্ছে যাত্রীরা।
এদিকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে যানজট নিরসনে মহাসড়কে বিভিন্ন স্থানে একহাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে । ঘরমুখো মানুষের ঈদ যাত্রায় স্বস্তিদায়ক করতে সেতুর উপর রাখা হয়েছে পুলিশের বিশেষ নজরদারি। তাছাড়া চুরি ছিনতাই ও ডাকাতি রোধে মহাসড়কে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ টহলদারি করছে।
এদিকে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত ১২টা থেকে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতুর উপর দিয়ে ৫৩ হাজার ২৪৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। টোল আদায় হয়েছে তিন কোটি ৭৭ লাখ ৫৮ হাজার ২০০ টাকা।
এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ৩২ হাজার ১৮৬ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৪০ হাজার ৭০০ টাকা।অপরদিকে পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে ঢাকাগামী ২১ হাজার ৬০ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৮১ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, রাতে বৃষ্টি ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে কিছুটা জটলা তৈরি হয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। ঢাকা পোস্ট
পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র দুই দিন বাকি। বুধবার (২৬ মে) সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেলেও কোথাও যানজটের সৃষ্টি হয়নি।
উত্তরবঙ্গমুখী ও ঢাকামুখী যানবাহনের অব্যাহত চাপ থাকলেও সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে পরিবহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ঢাকামুখী অধিকাংশ বাস যাত্রীবিহীন বা কম যাত্রী নিয়ে ফিরলেও উত্তরবঙ্গগামী বাসগুলো চলাচল করছে পরিপূর্ণ যাত্রী নিয়ে।
যমুনা সেতু পার হওয়ার পর চারলেন সড়ক এবং হাটিকুমরুল গোলচত্বরের ইন্টারচেঞ্জ চালু থাকায় বিপুল সংখ্যক যানবাহনের চাপও সহজে সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। বিভিন্ন জেলার যানবাহন নির্ধারিত লেন ব্যবহার করে নিজ নিজ গন্তব্যে যাওয়ায় মহাসড়কে যানজট তৈরি হচ্ছে না, বরং বাড়তি চাপের মধ্যেও যান চলাচল স্বাভাবিক ও স্বস্তিদায়ক রয়েছে।
সকালে যমুনা সেতুর পশ্চিম পাড়, কোনাবাড়ি মোড়, সায়দাবাদ, কড্ডার মোড় ও নলকা এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কে বাস, ট্রাক, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে মানুষ যে যেভাবে পারছেন বাড়ির পথে ছুটছেন। তবে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ থাকলেও কোথাও দীর্ঘ যানজট বা ধীরগতির পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।
মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। নির্ধারিত স্থান ছাড়া কোথাও যানবাহন থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করতে দেওয়া হচ্ছে না। ফলে সড়কে শৃঙ্খলা বজায় থাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
নলকার মোড় এলাকায় বাসচালক সর্দার রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি গতকালও ঢাকা থেকে একটা ট্রিপ নিয়ে রাজশাহী গিয়েছিলাম। যমুনা সেতু পার হওয়ার পরে চার লেন ও হাটিকুমরুল হাইওয়ে ইন্টারচেঞ্জের কারণে যানজট পায়নি সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের যানজট নেই। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের চাপ বাড়ছেই। বিষয়টি এমন, সময় যত গড়াচ্ছে, যানবাহনের চাপ ততই বাড়ছে।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ঈদযাত্রার ব্যস্ততম সময়ে গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্ত দিয়ে উত্তরবঙ্গে ৩২ হাজার ১৮৬টি যানবাহন চলাচল করেছে। এসব যানবাহনের প্রায় সবই উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার উদ্দেশ্যে সিরাজগঞ্জ মহাসড়ক ব্যবহার করেছে। এত বিপুল সংখ্যক যানবাহন চলাচলের পরও মহাসড়কে স্বস্তিদায়ক পরিবেশ বজায় রয়েছে।
উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের ২২ জেলার মানুষের সড়কপথে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম যমুনা সেতু। প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদকে কেন্দ্র করে সেতু ও সংযোগ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ছে। তবে এখন পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ অংশে যান চলাচল স্বাভাবিক ও স্বস্তিদায়ক রয়েছে। ঢাকা পোস্ট