মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন




৫৫ বছরেও দেশে বাড়েনি জ্বালানি তেলের মজুত সক্ষমতা

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬ ৫:১৯ pm
CNG stations CNG station fuel strike fuel trader traders Filing stations Filing station Petrol Octane Pump Price পেট্রোল অকটেন পাম্প Fuel energy জ্বালানি তেল Fuel Oil oil পরিবহন TRANSPORT STRIKE bus halt বাস ধর্মঘট dhaka তল্লাশিচৌকি ঢাকা বিএনপির গাবতলী ঢাকামুখী বাস যানবাহন তল্লাশি পুলিশ ঢাকা প্রবেশমুখ
file pic

অতীতে আন্তর্জাতিক নানা ইস্যুতে জ্বালানি তেল নিয়ে হোঁচট খেলেও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে এবার বড় ধাক্কা খেল বাংলাদেশ। ফলে প্রশ্ন উঠেছে জ্বালানির মজুত-সক্ষমতা নিয়ে। কেননা, গেল ৫৫ বছরেও বাড়ানো যায়নি জ্বালানির মজুত সক্ষমতা। এর মধ্যে নানা দীর্ঘসূত্রতায় ঝুলে আছে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের উদ্যোগ। চালু করা যায়নি এসপিএম প্রকল্পও।

বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের মজুত সক্ষমতা প্রায় সোয়া ১১ লাখ টন। যার মধ্যে পরিশোধিত তেল—ডিজেল ৬ লাখ ২৪ হাজার ১৮৯ টন, অকটেন ৫৩ হাজার ৬১৬ টন, পেট্রল ৩৭ হাজার ১৩ টন, ফার্নেস অয়েল ১ লাখ ৪৪ হাজার টন, জেট ফুয়েল ৩৪ হাজার ৮৭৭ টন। বাকি ২ লাখ ২৫ হাজার টন অপরিশোধিত।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর সদস্য অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা যে কোনো জাতির জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে জ্বালানি খাতের কাঠামো কী হবে—তা নিয়ে সরকার এখনো সুস্পষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। অর্থাৎ, খাতটি পুরোপুরি বাণিজ্যিকভাবে পরিচালিত হবে, নাকি সরকারের নিয়ন্ত্রণ ও মালিকানায় থাকবে—এই মৌলিক প্রশ্নটি এখনও অনিষ্পন্ন রয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, যদি জ্বালানি খাতকে পুরোপুরি ব্যবসায়ীদের হাতে ছেড়ে দিয়ে মুনাফাভিত্তিক খাতে পরিণত করা হয়, তাহলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তেলের কৌশলগত মজুদ বা সংরক্ষণাগার গড়ে তোলার উদ্যোগ দুর্বল হয়ে পড়বে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে যেতে পারে।

মহেশখালী থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত পাইপলাইনে তেল সরবরাহ ব্যবস্থা—এসপিএম প্রকল্পে দেড় লাখ টন অপরিশোধিত এবং ৭৫ হাজার টন পরিশোধিত তেল মজুতের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে অপারেটর নিয়োগ জটিলতায় দুই বছরেও প্রকল্পটি চালু না হওয়ায় সোয়া ২ লাখ টন মজুত সক্ষমতা কাজে লাগানো যাচ্ছে না।

ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক জিএম প্রকৌশলী মনজারে খোরশেদ আলম বলেন, এসপিএফ-এর মহেশখালীর স্টোরেজ সুবিধাগুলো এখনো পুরোপুরি খালি রয়েছে। ডিজেল ও ক্রুড অয়েলের ট্যাংকগুলোতেও তেল সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা খালি আছে। ফলে এ মুহূর্তে তেল সংরক্ষণে কোনো সংকট নেই।

তিনি আরও বলেন, যদিও অটোমেশন ও ইন্সট্রুমেন্টেশন ব্যবস্থা এখনো সম্পূর্ণভাবে চালু হয়নি, তবুও ম্যানুয়ালি তেল গ্রহণ ও সরবরাহ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে সেখানে তেল আসছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সেখান থেকে তেল সরবরাহও করা হচ্ছে।

ইস্টার্ন রিফাইনারি ইউনিট-টু নির্মাণ ১৬ বছর ধরে সিদ্ধান্তহীনতায় ঘুরপাক খাচ্ছে। এটি বাস্তবায়ন হলে বর্তমানে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত মিলিয়ে যে প্রায় ৫ লাখ টন মজুত ক্ষমতা রয়েছে, তা তিনগুণে উন্নীত হবে। কিন্তু সেটিও চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছে। তবে এসব বিষয়ে বিপিসি কিংবা ইস্টার্ন রিফাইনারির দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তা বক্তব্য দিতে রাজি হননি। চ্যানেল 24




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD