রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০১:৫২ অপরাহ্ন




দ্বিতীয় দিনেও খামেনিকে শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানে মানুষের ঢল

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬ ১০:১৯ am
Ali Hosseini Khamenei president of Iran from 1981 to 1989 সৈয়দ আলী হোসেইনী খামেনেয়ী سید علی حسینی خامنه‌ای‎‎ ইরানি সর্বোচ্চ নেতা। ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত তিনি ইরানের রাষ্ট্রপতি ছিলেন আলি খামেনি Sayyid Ebrahim Raisolsadati Ebrahim Raisi President of Iran ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ইরান Iran Tehran ইরান তেহরান ইরান বাংলাদেশ Iran Tehran ইরান তেহরান Iran Tehran ইরান তেহরান Bangladesh Iran সায়্যিদ ইব্রাহিম রাইসুল সাদাতি سید ابراهیم رئیس‌الساداتی‎‎ খামেনি
file pic

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির মৃত্যুতে দ্বিতীয় দিনের মতো শোক পালন করছে দেশটি। রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রোববারও (৫ জুলাই) হাজারো মানুষ জড়ো হয়ে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। খবর বার্তা সংস্থা মেহেরের

রোববার ভোর থেকেই তেহরানের প্রধান নামাজের স্থান ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় শোকানুষ্ঠান শুরু হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের ধারাবাহিক উপস্থিতিতে পুরো এলাকা শোকাহত মানুষের ভিড়ে পরিণত হয়েছে।

সকালজুড়ে বিভিন্ন প্রদেশ থেকে মানুষ দলে দলে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের উপস্থিতি দীর্ঘ সময় ধরে অব্যাহত থাকে।

অনুষ্ঠানকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য নিরাপত্তা বাহিনী, জরুরি সেবা, চিকিৎসক দল ও সহায়তাকারী কর্মীরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি যাতায়াতের পথ, চিকিৎসা সহায়তা, খাবার ও বিশ্রামসহ বিভিন্ন সেবারও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

খামেনি প্রায় ৩৭ বছর ধরে ইরানের ক্ষমতায় ছিলেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় তিনি ৮৬ বছর বয়সে নিহত হন। তার দাফন প্রক্রিয়ায় শিয়া মতাবলম্বীদের কাছে প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত লাল পতাকা তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে দেখা গেছে।

এসব আয়োজন ‘আমাদের জেগে উঠতেই হবে’ স্লোগানে মুখর ছিল। এ ছাড়া খামেনির মুষ্টিবদ্ধ হাতের একটি প্রতিকৃতিও তেহরানে প্রদর্শন করা হয়েছে। নিহত সর্বোচ্চ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শনিবার ভোর থেকেই দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গ্র্যান্ড মোসাল্লায় হাজার হাজার মানুষ জড়ো হতে শুরু করেন।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, বেশ কয়েকটি মেট্রো স্টেশনে জনতা ‘আমেরিকার ধ্বংস হোক’ এবং ‘ইসরাইলের ধ্বংস হোক’ স্লোগান দিচ্ছেন।

সপ্তাহব্যাপী আয়োজনকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখা হয়েছে। অনুষ্ঠানের আশপাশের এলাকাজুড়ে সাঁজোয়া যান, ভারী মেশিনগান এবং স্নাইপার মোতায়েন করা হয়েছে।

(যুগান্তর)




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD