শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন




বিশ্ববাজারে ফের ১০০ ডলার ছাড়ালো জ্বালানি তেলের দাম

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬ ১০:৩৭ am
CNG stations CNG station Filing stations Filing station ফিলিং স্টেশন Petrol Octane Pump Price পেট্রোল অকটেন পাম্প Fuel energy জ্বালানি তেল Fuel Oil pump তেল ফিলিং স্টেশন
file pic

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত নতুন করে তীব্র হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত মে মাসের পর প্রথম।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান জোরদার করার পর কয়েক দিনের ঊর্ধ্বগতির ধারাবাহিকতায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একদিনেই ৬ শতাংশের বেশি বেড়ে যায়।

বিশ্লেষকদের মতে, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের লোহিত সাগরে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে সৌদি আরবের জন্য হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি পথও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

একই সঙ্গে প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও বাড়ছে। যুক্তরাজ্যে গ্যাসের বেঞ্চমার্ক মূল্য বর্তমানে প্রতি থার্মে প্রায় ১৫০ পেন্স, যা জুনের শেষ দিকে ছিল প্রায় ৯৮ পেন্স।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর তেলের দাম কিছুটা কমে এসেছিল এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর আগের পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। তবে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আবারও বদলে যায়। এ সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ইরানের নেতৃত্ব এখনো কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে প্রস্তুত নয়।

অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ আবারও বাড়তে পারে। তেলের দাম বাড়লে সাধারণত পেট্রোল ও ডিজেলের দামও বৃদ্ধি পায়। এর ফলে পরিবহণ ব্যয় বেড়ে খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বাড়তে পারে।

যুক্তরাজ্যে গত আড়াই সপ্তাহে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম প্রায় ৫ পেন্স বেড়ে গড়ে ১ দশমিক ৫৬ পাউন্ডে পৌঁছেছে। একই সময়ে ডিজেলের গড় দাম বেড়ে হয়েছে ১ দশমিক ৭২ পাউন্ড প্রতি লিটার।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে এক গ্যালন গ্যাসোলিনের গড় দাম আবার ৪ ডলার ছাড়িয়েছে, যা এক মাস আগে ছিল ৩ দশমিক ৯২ ডলার।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ কংগ্রেসে বলেছেন, মূল্যস্ফীতি দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে থাকাকে কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি বাড়লেও মূল্যস্থিতি ফিরিয়ে আনতে ফেড প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি জানান।

যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঋণের সুদহার কমানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, তবুও গত মাসে কেভিন ওয়ার্শের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈঠকে ফেড সুদের হার ৩ দশমিক ৫ থেকে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশের মধ্যে অপরিবর্তিত রাখে।

(যুগান্তর)




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD