রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন




দেশে মোট জনসংখ্যার ৩ শতাংশ বেকার: প্রধানমন্ত্রী

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১ মে, ২০২৪ ৯:২৩ pm
Prime Minister Sheikh Hasina Wazed প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা Sheikh Hasina Prime Minister Bangladesh প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা Cabinet Secretary মন্ত্রিপরিষদ hasina pmhasina mp pm-hasina hasina hasina pm pm pm hasina pm sheikh hasina sheikh-hasina প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী
file pic

দেশে মোট জনসংখ্যার মাত্র ৩ শতাংশ বেকার। এমন তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (১ মে) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মহান মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে সরকারের নানা উদ্যোগের কারণে বেকারত্বের হার কমেছে।

আমরা বিনামূল্যে বই দিচ্ছি এবং দেশের যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য যোগ্য করে তুলতে কারিগরি শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণও দিচ্ছি। কর্মসংস্থান বাড়াতে বেসরকারি খাতকে বড় আকারে উন্মুক্ত করে দিয়েছে সরকার।

তিনি বলেন, আজ আমাদের বেকারত্বের হার ৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা প্রায় ২/৩ গুণ বেশি ছিল।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছে। সেখানে জামানত ছাড়াই যে কোনো যুবক ঋণ নিতে পারবেন। যা দিয়ে তারা নিজেদের ব্যবসা করতে পারে এবং আমরা সেই সুযোগ তৈরি করে দিয়েছি।

শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে সরকারের পদক্ষেপের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে বৃত্তিমূলক ও কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান করছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এইচ এম ইব্রাহিম, বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কান্ট্রি ডিরেক্টর টুমো পৌটিয়াইনেন, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি আরদাশির কবির, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি নূর কুতুব আলম মান্নান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

অনুষ্ঠানে মে দিবসের ওপর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন থেকে দরিদ্র শ্রমিকদের মাঝে চেক বিতরণ করা হয়। এ ছাড়াও শ্রমিকদের পরিবেশিত একটি বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশ আমরা এগিয়ে নিয়ে যাবো। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গড়বো। এজন্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদী থাকবে না। নিজেদের প্রয়োজন নিজেরা মেটাবো। কারো কাছে হাত পাতবো না। জাতির পিতা বলেছেন, ভিক্ষুক জাতির মর্যাদা থাকে না। আমাদের জনবল আছে, শ্রম দিতে পারবো, বাকি সম্পদকে কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বাড়াবো।

শ্রমিকদের জন্য নেওয়া তার সরকারের নানা পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিল্প-কারখানা যাতে বন্ধ না হয়, সে ব্যবস্থা নিয়েছি। এমনকি করোনায় আমরা প্রণোদনা দেওয়াসহ নানা পদক্ষেপ নিয়েছি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট সংকটেও শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের পাশে ছিলাম। গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি ৮২০০-১২৫০০ করে দিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের কিছু লোক আছে, কথায় কথায় শ্রমিকদের নিয়ে রাস্তায় নেমে যায়। যে কারখানা আপনার রুটি-রুজির জায়গা, এতে আপনার পরিবারও চলে। সে কারখানা বন্ধ হলে আপনি, আপনার পরিবার ও মালিকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু লাভবান কে? এগুলো আমাদের মাথায় রাখতে হবে। আমরা চাই, মালিক-শ্রমিক উভয়পক্ষ লাভবান হোক।

তিনি বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে নারী-পুরুষ সমান মজুরি পায় না। আমরা সেটা সমান করে দিয়েছি। নারী শ্রমিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিয়েছি। তাদের থাকার জন্য ডরমিটরি করে দিয়েছি।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD