রাষ্ট্রসংস্কারের অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গঠিত ৬ কমিশন আগামী ৭ই জানুয়ারি তাদের রিপোর্ট জমা দেবেন। একাধিক কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য জানা গেছে। গত ১১ই সেপ্টেম্বর জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া এক ভাষণে এ কমিশনগুলো গঠনের কথা জানান প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
কমিশনগুলো হলো- ড. বদিউল আলম মজুমদারের নেতৃত্বে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, সফররাজ চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশ প্রশাসন সংস্কার কমিশন, শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমানের নেতৃত্বে বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন, ড. ইফতেখারুজ্জামানের নেতৃত্বে দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন, আবদুল মুয়ীদ চৌধুরীর নেতৃত্বে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন এবং প্রফেসর আলী রীয়াজের নেতৃত্বে সংবিধান সংস্কার কমিশন।
নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম জানিয়েছেন, কমিশনের কাজ শেষের দিকে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জমা হবে। সংবিধান সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ এক সদস্য মানবজমিনকে বলেন, আমাদের কমিশনের কাজ শেষের দিকে। আগামী ৭ই জানুয়ারি আমরা আমাদের রিপোর্ট জমা দেবো। পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফররাজ চৌধুরী বলেন, আমাদের প্রতিবেদন প্রায় প্রস্তুত। এখন খসড়াগুলো ঘষামাঝা করে চূড়ান্ত করা হচ্ছে। সারসংক্ষেপ প্রস্তুত হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জমা দেবো।
এদিকে গত ১৬ই ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন রাষ্ট্রসংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত ছয় সংস্কার কমিশনের প্রধানদের নিয়ে ‘জাতীয় ঐকমত্য গঠন কমিশন’ করা হবে। এ কমিশনে প্রধান হিসেবে থাকবেন প্রধান উপদেষ্টা। আর সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. আলী রীয়াজ। কমিশনের কাজ হবে রাজনৈতিক দলসহ সকল পক্ষের সঙ্গে মতামত বিনিময় করে যে সমস্ত বিষয়ে ঐকমত্য স্থাপন হবে সেগুলো চিহ্নিত করা এবং বাস্তবায়নের জন্য সুপারিশ করা। মানবজমিন