বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন




মুদ্রানীতি ঘোষণা ১৫ জানুয়ারি: বাংলাদেশ ব্যাংক

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৩ ৫:৩১ pm
Central Bank কেন্দ্রীয় ব্যাংক Bangladesh Bank bb বাংলাদেশ ব্যাংক বিবি
file pic

চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য ষান্মাসিক মুদ্রানীতি (মনিটারি পলিসি স্টেটমেন্ট-এমপিএস) আগামী ১৫ জানুয়ারি ঘোষণা করার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ওইদিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বেলা আড়াইটায় এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করবেন গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার-এমন তথ্য উল্লেখ করে প্রেসবিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক বৃহস্পতির।

ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকটের চাপ, বিদেশি মুদ্রার সরবরাহে টান, টাকার মান কমে যাওয়া, মূল্যস্ফীতি আর চলতি হিসাবে ঘাটতি বয়ে বেড়ানোর মতো অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক বছরের মুদ্রানীতির আগের সিদ্ধান্তে বদল আনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক; চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য নতুন নীতি প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে গত ডিসেম্বর থেকে।

ইতোমধ্যে সাবেক গভর্নর, অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকারদের মতামত নিয়েছে এ সংক্রান্ত কমিটি।
সরকারের জাতীয় বাজেট বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্যোগ জানিয়ে বছরের নির্দিষ্ট সময়ে বাজারে কি পরিমাণ মুদ্রা সরবরাহ করা হবে তার একটি আগাম ধারণাপত্র দেয়া হয় মুদ্রানীতিতে।

জানুয়ারি-জুন, ২০২৩ সময়ের জন্য সম্ভ্যাব্য ঘোষিত ষান্মাসিক মুদ্রানীতি হবে বর্তমান গভর্নরের প্রথম মুদ্রানীতি ঘোষণা। গত জুলাইয়ে বর্তমান গভর্নর দায়িত্ব নেয়ার আগেই জুন মাসে এক বছরের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন গভর্নর ফজলে কবির।
গত ৩০ জুন মূল্যস্ফীতির চাপ সামাল দিতে অর্থের জোগান আরও কমাতে রেপো (পুনঃক্রয় চুক্তি) সুদহার বাড়িয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ‘সংকোচনমুখী’ মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়। তখন বলা হয়েছিল এ মুদ্রানীতি হবে এক বছর মেয়াদের, যা জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।

ওই মুদ্রানীতির ছয় মাস শেষ হয় ডিসেম্বরে। এখন সেটি পর্যালোচনার কাজে নেমেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এক সময়ে ছয় মাসের জন্যই মুদ্রানীতি প্রণয়ন করা হতো। ২০১৯-২০২০ অর্থবছর থেকে এক বছরের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণার প্রচলন শুরু করেন সাবেক গভর্নর ফজলে কবির।
বছরে আগের মতো দুইবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে পরামর্শ এসেছিল ঋণ নিয়ে ঢাকায় আলোচনা করতে আসা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধি দলের কাছ থেকেও। তখন বাংলাদেশ ব্যাংকও তাতে সম্মতি দিয়ে ছয় মাসের মুদ্রানীতি করার কথা বলেছিল। সেটির আলোকেই আগামী ১৫ জানুয়ারিতে ছয় মাসের জন্য মুদ্রানীতি করার আনুষ্টানিক ঘোষণা দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক।

‘সতর্কতামূলক মুদ্রানীতি ভঙ্গি অনুসরণ ও কিছুটা সংকোচনমুখী’ ঠিক করে ২০২২-২৩ অর্থবছরের মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়েছিল। সেখানে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ যোগানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। তাতে সরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছিল ৩৯. ৪ শতাংশ, যা গতবার ৩৬.৬ শতাংশ ছিল। আর বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ১৪.১ শতাংশ, যা গতবার ছিল ১৪.৮ শতাংশ। সব মিলিয়ে মোট অভ্যন্তরীণ ঋণের প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ১৮.২ শতাংশ, যা ২০২১-২২ অর্থবছরে ১৭.৮০ শতাংশ র্নিধারণ করা হয়েছিল।

মুদ্রানীতিতে ব্যাপক মুদ্রা (এম২) প্রবৃদ্ধি কিছূটা কমিয়ে ধরা হয়েছে ১২.১ শতাংশ, গতবার এ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৫ শতাংশ। জাতীয় বাজেটে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ৭.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতি ৫.৬ শতাংশে ধরে রাখার পরিকল্পনার নির্ধারণ করে সরকার। কিন্তু সর্বশেষ গত ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে পয়েন্ট টু পয়েন্ট হিসাবে ৮.৭১ শতাংশ বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD