রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন




আদর্শ নয়, সুযোগ-সুবিধার আশাতেই তৈরি হয় নতুন দল

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫ ৭:৪৫ pm
CEC election commission নির্বাচন কমিশন ইসি সিইসি Kazi Habibul Awal কাজী হাবিবুল আউয়াল নির্বাচন সিইসি ইসি cec ec election প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল cec
file pic

মূলত সুযোগ সুবিধার আশাতেই তৈরি হয় দেশে নতুন নতুন রাজনৈতিক দল। যেখানে আদর্শের সংযোগ খুব কমই দেখা যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, অপেক্ষাকৃত কম রাজনৈতিক দল বেশি মানুষের অধিকারের পক্ষে কথা বলা দরকার।

‘নানা মুনির নানা মত’; বহু প্রচলিত এই প্রবাদটি যেন স্বতঃসিদ্ধ হয়ে ধরা দেয় বাংলাদেশের রাজনীতিতে। কেননা এই জনপদে রাজনৈতিক দলের সংখ্যাটা যে ঠিক কত সেই হিসাব মেলানো কঠিন। হরহামেশাই যে তালিকায় যুক্ত হচ্ছে নিত্যনতুন নাম। এমনকি ৫ আগস্টের পর গঠিত হয়েছে এনসিপিসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। যদিও নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন রয়েছে ৪৯টির।

অনিবন্ধিত নামসর্বস্ব দলগুলো তো বটেই, নিবন্ধিত অনেক দলেরও নেই তেমন কর্মী সমর্থক, নেই সাংগঠনিক কার্যক্রম। তারপরও, নতুন রাজনৈতিক দল করতে কেন এত আগ্রহ? বিশ্লেষকরা মনে করেন, ব্যক্তি-স্বার্থটাই এক্ষেত্রে মুখ্য।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহবুব উল্লাহ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে অনেক সময় কৌতুক করে বলা হয় ‘দোকান খুলে বসা’। এর মানে কি একটা ব্যবসা। রাষ্ট্র বা অন্যান্য দলের কাছ থেকে কিছু সুযোগ সুবিধা বা ব্যবসায়িক কিছু সুযোগ সুবিধা কিছু পেতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, এত রাজনৈতিক দল দেশে না থাকাটাই ভালো। কম সংখ্যক রাজনৈতিক দল তার সঙ্গে যদি তারা সমাজের যে সমস্ত শ্রেণীগোষ্ঠী আছে এদের স্বার্থের প্রতিফলন করতে পারে সেটিই যথেষ্ট। কিন্তু এর বাইরে গিয়ে রাজনৈতিক দল হলে সময় ও অর্থের অপচয় হবে। এবং মানবিক শক্তিরও অপচয় হবে।

এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক দলের কাজ হলো বিভিন্ন মত, আশা-আকাঙ্ক্ষা, আদর্শ একত্র করে তারা একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। আমাদের এখানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সেটি একজনও পারেনি। আর এই না পারার জন্যই এত অসংখ্য দল রয়েছে।

রাজনীতির এই শিক্ষক বলছেন, নব্বই পরবর্তী আওয়ামী আর জাতীয়তাবাদের বলয়ে আবর্তিত রাজনীতিতে, এখন সময়ের প্রয়োজনেই দরকার ভিন্ন একটি শক্তির উত্থান।

তিনি বলেন, যদি পলিটিক্যাল পার্টি যেটা ছাত্ররা করতে চাচ্ছে, এরা যদি সফল না হয় এবং একই সময়ে একটা পার্টি তো গেছে, আরেকটা যদি দুর্বল হতে হতে এমন একটা অবস্থায় চলে যায়, যেটার কোনো পার্টি বলতে আর কিছু থাকবে না। তাহলে দেশে যেটা হবে, সেটা হলো অরাজকতা।

সংকীর্ণ স্বার্থে গড়ে ওঠা সমর্থনবিহীন রাজনৈতিক দলের বিস্তার, নাকি জনসমর্থন নিয়ে নতুন কোনো পক্ষের শক্তিশালী অবস্থান- নিকট ভবিষ্যতে দেশের রাজনীতিতে কোনটি প্রাধান্য পাবে, সেটি সময়ই বলে দেবে। চ্যানেল 24




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD