১১ই জানুয়ারি সন্ধ্যায় ঢাকার গুলশান ক্লাবে ‘মেঘনা কন্যা’- চ্চত্রের মহরত অনুষ্ঠিত হলো। এতে উপস্থিত ছিলেন কাজী ফার্মসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জাহেদুল হাসান, পরিচালক ফুয়াদ চৌধুরী, প্রযোজক কাজী সাইফুল ইসলাম, নির্বাহী প্রযোজক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, প্রধান চরিত্রের অভিনয় শিল্পী ইয়ামিন হক ববি, সাজ্জাদ হোসেইন, ফজলুর রহমান বাবু, শতাব্দী ওয়াদুদসহ অনেকে।
চারপাশ ঘেরা মেঘনা নদী ঠিক তার মাঝখানে ছোট্ট একটা দ্বীপের মতো গ্রাম উলানিয়া। শহুরের মেয়ে প্রজ্ঞা এসেছে এই গ্রামে। কিন্তু তার একদমই গ্রাম ভালো লাগছে না। ক’দিন পরেই তার ক্যাম্পাসে আছে অনুষ্ঠান; সেখানে নাচতে চায়। যদিও তার বয়ফ্রেন্ড ব্যাপারটা ভালো চোখে দেখেনি; তাই হয়ে গেছে ব্রেকআপ।
তবে এবার শহরে ফিরতে চায় প্রজ্ঞা; তখনই সে মুখোমুখি হয় গ্রামের সবচেয়ে পুরনো ভবনের। ভবনের মধ্যে প্রজ্ঞা খুঁজে পেলো টেরাকোটা। সেই টেরাকোটায় কী যে সুন্দর ডান্সের ফর্ম! গ্রামে এমন নাচ নাকি নাচতে পারতো একজনই নাম তার হাসি! শুরু হয় প্রজ্ঞার নতুন এক খোঁজ- কোথায় এই হাসি? গ্রামে বন্ধ কেন নাচ-গান? প্রজ্ঞার এই খোঁজে যুক্ত হয় নায়ক আবিদ।
গ্রাম শহরের দুই নারীর শেকল ভাঙার গল্প নিয়ে ফুয়াদ চৌধুরীর পরিচালনায় নির্মিত হচ্ছে চলচ্চিত্র ‘মেঘনা কন্যা’। আনোয়ার আজাদ ফিল্ম’ও এস জে মোশনস পিকচার্সের প্রযোজিত চলচ্চিত্রটির মূল ভূমিকায় অভিনয় করবেন ইয়ামিন হক ববি।
চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য ও সংলাপ করেছেন ফাহমিদুর রহমান এবং আহমেদ খান হীরক। ববি বলেন, এটা একেবারেই অন্যরকম গল্প। আমার চরিত্রটিও চ্যালেঞ্জিং। এই প্রথম আমি এমন একটি চরিত্রে অভিনয় করছি। তাই বেশি ভালো লাগছে। চরিত্রটিতে অভিনয়ের সুযোগ রয়েছে শতভাগ। তাই সেভাবেই প্রস্তুতিও নিচ্ছি। আশা করছি ছবিতে দর্শক অন্য এক ববিকে পাবেন।