সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া সরকারের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় রাজস্ব সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। সম্মেলনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে সরকার। তবে প্রয়োজনীয় খাতে অবশ্যই ব্যয় করা হবে। তিনি আরও বলেন, যার যা কাজ সেটি ঠিকভাবে করলেই দেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
তারেক রহমান বলেছেন, রাজস্ব খাতে সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি করবে সরকার। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়াই সরকারের লক্ষ্য।
এ সময় রাজস্ব কর্মকর্তাদের দণ্ডের বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সকলের প্রয়োজন দেশপ্রেম এবং আন্তরিকতা। আসুন সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বার্থে আমরা সবাই মিলে একটি শক্তিশালী রাজস্ব ব্যবস্থা গড়ে তুলি।”
তিনি বলেন, “আরও সমৃদ্ধ, আরও বিনিয়োগ এবং আরও ব্যবসাবান্ধব একটি রাজস্ব ব্যবস্থাপনার প্রত্যাশায় আমি এই রাজস্ব সম্মেলনে সফলতা কামনা করছি।”
রাজস্ব আহরণে কর্মকর্তাদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, “আমি একটি আশা, সম্ভাবনা এবং প্রত্যাশার কথা বলতে চাই। গত ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি থেকে জুনের শেষ পর্যন্ত সময়টিতে রাজস্ব আহরণের পরিমাণ ছিল ইতিবাচক।
“এটি প্রমাণ করে আপনারা পারেন, আপনারাই পারেন এবং আপনারা অবশ্যই পারবেন ইনশাআল্লাহ।”
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে।
সম্মেলনে আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও শুল্ক—এই তিন খাতের কর্মকর্তারা নিজেদের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। পাশাপাশি রাজস্ব ও কর ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি তথ্যচিত্র উপস্থাপন করা হয়।
মাঠপর্যায়ে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন শুল্ক ও কর কর্মকর্তারা। এসব সমস্যা সমাধানে তারা বিভিন্ন মতামত ও প্রস্তাব দেন।
প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য শোনেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
সম্মেলন মঞ্চে উপস্থিত অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।