দুর্নীতি ও অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে বিভিন্ন দেশ। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা ও সহযোগিতায় এই অভিযান চলছে। ইতোমধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বৈশ্বিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থার সক্রিয় তৎপরতা চলছে। অভিযান
দেশের গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান বাড়াতে ৩০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। প্রতি ডলার সমান ১১০ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এ ঋণের পরিমাণ ৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এই অর্থে
সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলেও আশানুরূপ বাড়ছে না রেমিট্যান্স। ধারাবাহিক কমছে প্রবাসী আয়। আগস্টের প্রথম ২৫ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বৈধ বা ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৩২ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন
কর ফাঁকি রোধ করার লক্ষ্যে একটি সংহতিমূলক উদ্যোগের আওতায়– বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে করদাতাদের ব্যাংক হিসাবের তথ্যে সরাসরি প্রবেশাধিকার চায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এর ফলে রাজস্ব বোর্ড করদাতা ও ব্যবসায়ীদের
বাংলাদেশের গ্রামীণ বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য ৩০ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ ৩ হাজার ২৮০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার সমান ১০৯ দশমিক ৩১ টাকা ধরে)।
দেশের মধ্যে শুরু হওয়া ডলার সংকট এখনো কাটেনি। সহসা সংকট দূর হওয়ার লক্ষণও তৈরি হয়নি। অন্যদিকে ডলার সংকটের কারণে আমদানিতে কড়াকড়ি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিশেষ করে বিলাসবহুল ও অপ্রয়োজনীয় পণ্য
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, আমার মনে হয় মানুষ এখন উন্নয়নে বেশি আগ্রহী। মানুষ এখন এক গ্লাস গণতন্ত্র নয়, তারা এক গ্লাস উন্নয়ন চায়। আমাদের গণতন্ত্রের চেয়ে খাবার, ওষুধ-টয়লেট বেশি
তিনি যে ভোটের ব্যবসার কথা বলেছেন এটিই আসলে সত্য। রাজনীতি এখন একটা ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। ভোটের ব্যবসা। এখানে সবাই লাভের চিন্তা করে। এ কারণে বড় বড় ব্যবসায়ীরাও রাজনীতির খাতায় নাম
অভ্যন্তরীণ মজুত ধরে রাখা ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে সেদ্ধ চাল রপ্তানির ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে ভারত সরকার। গতকাল ২৫ আগস্ট এ রপ্তানি শুল্ক আরোপ করা হয়, যা
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে দিশেহারা দেশের মানুষ। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই রোজগারের বড় একটি অংশ চলে যাচ্ছে। বাজারে এমন কোনো পণ্য নেই যার দাম নাগালের মধ্যে আছে। তাই মাস শেষ হওয়ার