আসন্ন ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ কোটি টাকা। বিশাল আকারের এই রাজস্ব সংগ্রহ করা সরকারের জন্য একটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। এ ছাড়া বিশ্বে বিভিন্ন সংকটের
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট উত্থাপিত হয়েছে মহান জাতীয় সংসদে। ০২ জুন ২০২৩ বিকেলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে বাজেটের খুঁটিনাটি সম্পর্কে আরও জানা গেছে। আর পুরো মাস জুড়েই সংসদে আর সংসদের বাইরে
দেশে ঋণের বোঝা বাড়ছে। আজ যে শিশুটি জন্ম নেবে, তার মাথায় ১ লাখ ৫ হাজার ২৫২ টাকা ঋণের দায় চাপবে। কারণ বর্তমানে দেশের প্রতিটি নাগরিকের মাথা পিছু এই পরিমাণ ঋণ
চলমান অর্থনৈতিক সংকট, ক্রমবর্ধমান আয়বৈষম্য ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমার মূল কারণ লাগামহীন দুর্নীতি ও অর্থপাচারের মতো মরণব্যাধিকে প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী একেবারেই স্বীকার করেননি। একইভাবে তিনি সুশাসন ও ন্যায্যতার ভাবনাকেও
আগামী অর্থবছরে করমুক্ত বার্ষিক আয়ের সীমা ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ৩ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের মধ্যে এটিই করদাতাদের কিছুটা স্বস্তি দেবে বলে আশা
ডলার-সংকটের মধ্যে গত মে মাসে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় কম এসেছে। গত মে মাসে প্রবাসী আয় এসেছে ১৬৯ কোটি ১৬ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১০
২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে রপ্তানিমুখী টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা নেই বলে জানিয়েছেন তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসান। শুক্রবার (২
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রেসক্রিপশন বা পরামর্শে বাজেট পেশ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পুরোটাই গরিব মানুষের জন্য বলেও মন্তব্য করেছেন
আগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আর্থিক কাঠামোকে ‘অলীক’ বলে আখ্যায়িত করে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) বলেছে, এই বাজেট উচ্চাকাঙ্খী, যা বাস্তবায়নযোগ্য নয়। সংস্থাটি মনে করে, বাজেটের
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সংকট এখন চতুর্মুখী। উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে সাধারণ মানুষ দিশেহারা। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ক্ষয়ে যাচ্ছে। আমদানি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমিয়ে আনা হয়েছে। তা সত্ত্বেও ব্যাংকগুলো এলসি দায় পরিশোধ করতে