#দেশি বিনিয়োগকারী এসেছে ১০ হাজার ৭৯০ জন #প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এসেছে ৪১৫টি #বিদেশি বিনিয়োগকারী কমেছে ২৮৪ জন নতুন বছরের শুরুতেই পুঁজিবাজার ভালো হবে, এমন প্রত্যাশা ছিল বিনিয়োগকারীদের। যে কারণে অনেক নতুন
প্রচণ্ড উত্তাপ ছড়ানো খুলনার বাজারগুলোতে দাম কমতে শুরু করেছে পণ্যের। মুরগি, মাছসহ কমেছে সবজির দামও। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ঊর্ধ্বমুখী থাকা পেঁয়াজের দামও কমেছে কেজিতে ১০ টাকা। কাঁচা মরিচের দামও
বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের জন্য ১ কোটি টাকা প্রদান করেছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। শনিবার এফবিসিসিআই কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের কাছে “বঙ্গবাজার অগ্নি ক্ষতি সহায় তহবিল” এ ১
অকটেন, পেট্রল, ডিজেলসহ জ্বালানি তেলে গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি লিটারে এখন ৫ থেকে ১০ টাকার কমানোর সুযোগ আছে বলে মনে করে বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সিপিডি বলেছে, আন্তর্জাতিক
রপ্তানি খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ২০২১ সালের জন্য বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আহসান খান চৌধুরী। বুধবার
যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) রয়েছে, তাদের রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। শনিবার (২৭ মে) ইকনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে প্রয়াত অর্থমন্ত্রী আবুল মাল
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার মধ্যপ্রাচ্য। সেখান থেকে রেমিট্যান্সও আসে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু দৃশ্যপট এখন পাল্টে গেছে। রেমিট্যান্স প্রবাহের দিক থেকে মধ্যপ্রাচ্যের জায়গা দখলে নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আর যুক্তরাষ্ট্র থেকে হঠাৎ
বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতির শর্ত আরোপ করে ভালো নির্বাচন চাওয়াকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান। তবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের রপ্তানি
বাজেট অধিবেশনেই নতুন আয়কর আইন পাশ হচ্ছে। নতুন আইনে কর দিবসের (৩০ নভেম্বর) পরে রিটার্ন জমার জরিমানা বাড়ানোর প্রস্তাব থাকছে। অন্যসব জরিমানার পাশাপাশি প্রতি মাসে প্রদেয় করের ২ শতাংশের পরিবর্তে
আগামী অর্থবছরের (২০২৩-২৪) বাজেটে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ-২০৪১’-এর রূপরেখা তুলে ধরা হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের পর ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা এটি। সেখানে প্রধান চারটি কৌশল হবে-স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট এবং স্মার্ট সোসাইটি।