দেশে শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের সব চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা
সম্প্রতি অভিভাবকেরা শিশুর জ্বর ও শরীরে র্যাশ নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে, হাসপাতালে ভিড় করছেন। এই শিশুদের অনেকেরই হাম শনাক্ত হচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশের অনেক জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, বেশ কিছু শিশুমৃত্যুর ঘটনাও
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। আগামী রোববার থেকে সারাদেশে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি আরও বলেন, মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য
দেশে দীর্ঘ ৮ বছর হামের টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ থাকার কথা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে নতুন করে টিকা সংগ্রহে
দেশের অন্তত ১০টি জেলায় হাম রোগ উদ্বেগজনকভাবে সংক্রমিত হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে হামে আক্রান্ত ১২ শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকার সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে পাঁচ শিশু
আইসিইউ ভেন্টিলেটরের অভাবে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশুদের মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ১১ দিনে ৩৩টি শিশু মারা গেছে রাজশাহী মেডিকেলে। অথচ সেখানকার
কোভিড বা করোনা ভাইরাসের নতুন একটি ভ্যারিয়েন্ট ‘সিকাদা’ ছড়িয়ে পড়ছে। এ বিষয়ে নজরদারি করছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সিকাদা’কে উচ্চ মিউটেশনযুক্ত বলে
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য ইউনিসেফের নিকট থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ৬০৪ কোটি ৫ লাখ টাকার বিভিন্ন ধরনের ভ্যাকসিন কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সভাকক্ষে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (ফেসবুক) ব্যবহার করে দেদার বিক্রি হচ্ছে ক্ষতিকর ওষুধ, ফুড সাপ্লিমেন্ট ও কসমেটিকস পণ্য। ভেষজ, হার্বাল, আয়ুর্বেদিক, ইউনানি, অ্যাগ্রোভেট (গবাদিপশুর জন্য) ও অর্গানিকসহ বিভিন্ন নামে বিক্রি হওয়া এসব চিকিৎসা
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নারী শিশুসহ একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধরা হলেন- মনোয়ারা (৬০), জিল হক (৩৭), উম্মে হুমায়রা (৩০) ও হুররাম (২)। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি)