ডিজিটাল বাংলাদেশের নামে দেড় দশকে হাজার হাজার কোটি টাকা অপচয় করেছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। ফলে, কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি তথ্য-প্রযুক্তি খাতে। এর পেছনে বড় কারণ হিসেবে রাজনৈতিক প্রকল্প আর বাস্তবায়নে
সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজনীতি নতুন কিছু নয়। বাংলাদেশ তো বটেই সারা দুনিয়াতেই এটা চলছে। তবে গেল কয়েক বছরে বাংলাদেশের ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ট্রেন্ড ছিল এক রকম। মূলত বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধী নেতা-কর্মীরা সরব ছিলেন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপ বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়। এর অন্যতম কারণ মাধ্যমটি সহজে ব্যবহার করা যায়। বার্তা বিনিময়ের পাশাপাশি অডিও ও ভিডিও কল করার সুযোগ থাকায় ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাজে অনেকেই হোয়াটসঅ্যাপ
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্ষমতাসীন সিন্ডিকেট নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সার্ভারে সংরক্ষিত থাকা ১১ কোটি নাগরিকের তথ্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করেছে। ৪৬ ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য এভাবে বিক্রি করায় নাগরিকদের আর্থিক
বিশ্বখ্যাত ব্রান্ড ক্যাননের লার্জ ফরম্যাট প্রিন্টার ব্যবসায়ে ‘আউটস্ট্যান্ডিং গ্রোথ অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে দেশের অন্যতম শীর্ষ তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড। সম্প্রতি থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের দি সেন্টারা গ্র্যান্ড হোটেলে আয়োজিত ‘রিজিওনাল
বাংলাদেশে একসময় জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটক বন্ধ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ নিয়ে ঘোষণাও দেয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টিকটক বন্ধ করতে পারেনি আওয়ামী
দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি করা হয় ডেটা সেন্টার। আওয়ামী লীগ সরকার এটিকে ডিজিটাল বাংলাদেশের হৃদয় বলে অভিহিত করত। সিন্ডিকেট, কারিগরি অদক্ষতা ও কমিশন বাণিজ্যের কারণে ব্যয়বহুল এ প্রকল্প
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি গ্রামীণফোন (জিপি) পিএলসি দেশের প্রথম মোবাইল অপারেটর হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা বা ওয়াইফাই সংযোগের মতো দেশের প্রথম গতি-ভিত্তিক সীমাহীন ‘জিপিএফআই’ ইন্টারনেট প্যাক চালু করবে। মোবাইল
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের এথেনি হোটেলে ডেল টেকনোলজিস আয়োজিত সাউথ এশিয়া পার্টনার সামিটে সেরা পারফর্মার অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে বাংলাদেশের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড। ২ অক্টোবর দক্ষিণ এশিয়া এবং
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপ বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়। এর অন্যতম কারণ মাধ্যমটি সহজে ব্যবহার করা যায়। বার্তা বিনিময়ের পাশাপাশি অডিও ও ভিডিও কল করার সুযোগ থাকায় ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাজে অনেকেই হোয়াটসঅ্যাপ