সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে। বৃহস্পতিবার সংসদের বাজেট অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী
ঋণনির্ভর বাজেট আর্থিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদ থেকে বাজেট অধিবেশন শেষে বের
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে ‘ব্যবসা বান্ধব বাজেট’ বলে মনে করছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। তবে এই বাজেটের কার্যকর বাস্তবায়ন জরুরি বলে মন্তব্য করেছে সংগঠনটি। বৃহস্পতিবার (১১ জুন)
মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এরপর অনুমোদিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট আজ (বৃহস্পতিবার, ১১ জুন) জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করছেন। বৃহস্পতিবার তিনি বাজেট প্রস্তাব পেশ করেন। এই বাজেটে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার ওপর শুল্ককর ছাড় দেয়ার প্রস্তাব
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য মোট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। যা জিডিপির ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ। এটি গত অর্থবছরের তুলনায় ১
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এবার প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জাতীয়
স্বাধীন বাংলাদেশে তাজউদ্দীন আহমদ ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করে ১৯৭২ সালে যে যাত্রার সূচনা করেছিলেন, সেই পথ ধরে বাংলাদেশের ৫৫তম বাজেট নিয়ে আসছেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। যার আকার
সরকার বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছে। এজন্য আগামী বাজেটে নানামুখী নীতিসহায়তাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কার্পণ্য করতে চায় না। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারের উদ্দেশ্য ভালো, কিন্তু যেভাবে রোডম্যাপ
জীবনযাত্রার ব্যয়ে লাগাম টানার চেষ্টা থাকছে আগামী বাজেটে। সাধারণ জনগণকে স্বস্তি দিতে ধান, চাল, গম, আলু, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে করছাড় দেওয়া হচ্ছে।