১. আল্লাহর সুন্দর সুন্দর নাম ও মহান গুণাবলী সম্পর্কে জানা।
২. ইলম অন্বেষণ করা (দীনের জ্ঞান অন্বেষণ করা)।
৩. সৃষ্টি জগত সম্পর্কে চিন্তা-গবেষণা করা।
৪. কুরআন পড়া ও সে সম্পর্কে গবেষণা করা।
৫. অধিক পরিমাণে কুরআন-সুন্নাহয় বর্ণিত দু’আ ও জিকিরসমূহ পাঠ করা।
৬. নিজের পছন্দের উপর আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সা. এর পছন্দকে প্রাধান্য দেয়া।
৭. দীনী মজলিসে বসা এবং ভালো মানুষের সাথে বন্ধুত্ব রাখা।
৮. সকল প্রকার পাপ কাজ থেকে দূরে থাকা।
৯. ফরজ ইবাদতের পাশাপাশি সাধ্যমত নফল ইবাদত করা।
১০. ঈমান বৃদ্ধির জন্য মহান আল্লাহর নিকট দু’আ করা।আল্লাহ তা’আলা যেন আমাদের ঈমানকে আরও বৃদ্ধি করে দেন যার মাধ্যমে আমরা তাঁর নৈকট্য অর্জন করে প্রতিক্ষীত জান্নাত লাভে ধন্য হই। আমীন।
#অহংকার থেকে মুক্তির উপায়:
১. মনে রাখতে হবে, অহংকার সর্বপ্রথম শয়তান করেছিল, আর এই অহংকারের জন্য আজ সে পথভ্রষ্ট। এটি যদি আমার মাঝে থাকে তবে আমারও ভ্রষ্ট হবার সম্ভাবণা রয়েছে।
২. অহংকার কেবলমাত্র আল্লাহর গুণ; স্রষ্টার গুণ সৃষ্টির নয়। কারন স্রষ্টা স্বয়ংসম্পূর্ণ, কিন্তু সৃষ্টি স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়।
৩. অহংকারিকে আল্লাহ লাঞ্চিত করেন। দুনইয়া ও আখিরাতে রয়েছে কঠিন সাজা।মানুষের উপর অহংকারকারীকে কিয়ামতের দিন পায়ের নিচে মাড়ানো হবে। এ চিন্তা করে অহংকার দূর করতে হবে।
৪. সত্যকে অস্বীকার করা, অন্যায়ভাবে বিতর্ক করা, মানুষকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা এসব অহংকারের অন্তর্ভুক্ত। এগুলো হতে বিরত থাকতে হবে।
৫. দামী পোষাক, দামী খাবার, সম্পদ নিয়ে গর্ব করা এসব অহংকারের অন্তর্ভুক্ত। এগুলো পরিত্যাগ করতে হবে।
৬. নিজেকে অন্য ১০ জনের মত মনে করতে হবে। অতি সাধারণত ভাবতে হবে। এতে অহংকার দূর হবে।
৭. হাটা-চলা থেকে জীবনে সকল ক্ষেত্রে নম্রতা অবলম্বন কর। এতে করে বিনয় প্রকাশ পায় এবং অহংকার দূর হয়।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,”যার অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণও (সামান্যতম) অহংকার আছে, সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। আর যার অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণও ঈমান আছে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না।”
[৩৫০৫ তাহকীক আলবানী; সহীহ।]
ফুটনোট: [৩৫০৫] মুসলিম ১৩১, তিরমিযী ১৯৯৮, আবূ দাউদ ৪০৯১, আহমাদ ৩৭৭৯, ৩৯০৩,৩৯৩৭, ৪২৯৮। [সুনানে ইবনে মাজাহ :৪১৭৩]
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আমাদের অহংকার থেকে হিফাজত করুন৷
IFM desk