সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ন




২৯০ কিমি বেগে যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানল ‘বাভি’, বহু হতাহতের আশঙ্কা

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬ ১০:১৩ am
CYCLONE MOCHA ghurnijhor সাইক্লোন ঘূর্ণিঝড় মোখা টর্নেডো Natural disaster প্রাকৃতিক দুর্যোগ Cyclone Storm winds wind atmosphere natural environment heavy fall rain snow hail violent outbreak thunder lightning unaccompanied Disaster বজ্র ঘূর্ণিঝড় কালবৈশাখী ঝড় শিলাবৃষ্টি তীব্র বজ্রপাত দুর্যোগ আবহাওয়ায় বিদ্যুৎচমক তুষারপাত বায়ুপ্রবাহ দাবানল বৃষ্টি Sign Sanket Signal fishing catch fish Boat ship ark skiff davit craft smack yawl scow vessel cox bazar sea beach sent martin launch ticket cabin crew Bay of Bengal Cheradip সিগন্যাল ঘূর্ণিঝড় হুঁশিয়ারি সংকেত জাহাজ তরণী সিন্দুক নৌকা জেলে নৌকা নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জালিয়া খাল বিল নদী নালা জাহাজ সমুদ্র সৈকত যাত্রী জলযান সাগর বঙ্গোপসাগর জাহাজ পর্যটন বান্দরবান trawler bandarban tourism recreation venues resorts ship china war launch sea যুদ্ধ জাহাজ মংলা মোংলা পায়রা সমূদ্রবন্দর sign cycloneটর্নেডো Natural disaster প্রাকৃতিক দুর্যোগ Cyclone Storm winds wind atmosphere natural environment heavy fall rain snow hail violent outbreak thunder lightning unaccompanied Disaster বজ্র ঘূর্ণিঝড় কালবৈশাখী ঝড় শিলাবৃষ্টি তীব্র বজ্রপাত দুর্যোগ আবহাওয়ায় বিদ্যুৎচমক তুষারপাত বায়ুপ্রবাহ দাবানল বৃষ্টি Sign Sanket Signal fishing catch fish Boat ship ark skiff davit craft smack yawl scow vessel cox bazar sea beach sent martin launch ticket cabin crew Bay of Bengal Cheradip সিগন্যাল ঘূর্ণিঝড় হুঁশিয়ারি সংকেত জাহাজ তরণী সিন্দুক নৌকা জেলে নৌকা নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জালিয়া খাল বিল নদী নালা জাহাজ সমুদ্র সৈকত যাত্রী জলযান সাগর বঙ্গোপসাগর জাহাজ পর্যটন বান্দরবান trawler bandarban tourism recreation venues resorts ship china war launch sea যুদ্ধ জাহাজ মংলা মোংলা পায়রা সমূদ্রবন্দর sign cyclone বজ্রপাত ঘূর্ণিঝড়
file pic

ঘণ্টায় প্রায় ২৯০ কিলোমিটার বেগের ভয়ংকর বাতাস নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপাঞ্চল গুয়াম ও নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হেনেছে সুপার টাইফুন ‘বাভি’। প্রবল ঝড় ও ভারি বৃষ্টিতে এই দ্বীপপুঞ্জে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে বলেছে, এই ঝড়ে ভয়াবহ ক্ষতি হতে পারে এবং সমুদ্রে প্রায় ১১ মিটার উচ্চতার ঢেউ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘণ্টায় প্রায় ২৯০ কিলোমিটার গতির বাতাস এবং ঘণ্টায় ৩৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা হাওয়া নিয়ে ঝড়টি গুয়াম ও নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের ওপর দিয়ে অতিক্রম করছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ এই ঝড় ভয়াবহ ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। সমুদ্রে প্রায় ১১ মিটার উচ্চতার ঢেউও সৃষ্টি হতে পারে।

এক কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জে বড় ধরনের ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

মূলত পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই দ্বীপগুলোতে এত শক্তিশালী ঝড় খুব একটা দেখা যায় না। বিজ্ঞানীদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ ধরনের শক্তিশালী টাইফুনের ঘটনা বাড়ছে।

অবশ্য ঝড় আঘাত হানার আগে বহু বাসিন্দা জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যান এবং শেষ মুহূর্তের নিরাপত্তামূলক প্রস্তুতি নেন। এনডব্লিউএস জানিয়েছে, নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে দক্ষিণের জনবসতিপূর্ণ দ্বীপ রোটাতে সরাসরি আঘাত হেনেছে টাইফুনটি। এটি গুয়াম থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত।

রোটার মেয়র কার্যালয় বাসিন্দাদের ‘ধ্বংসাত্মক বাতাসের’ জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, আবহাওয়ার দ্রুত অবনতি হবে এবং বাইরে থাকা নিরাপদ নয়।

রোটার মেয়র কার্যালয়ের একজন মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতি মোকাবিলা করার চেষ্টা করছি। এখানে প্রবল বাতাস ও বন্যা হচ্ছে’। তিনি জানান, অনেকেই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কথা জানিয়েছেন।

রোটার উত্তরে সাইপান দ্বীপের বিমানবন্দরে ঘণ্টায় ১৬১ কিলোমিটারের বেশি গতির দমকা বাতাস রেকর্ড করা হয়েছে বলে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মার্কাস ল্যান্ডন আইডলেট। তিনি বলেন, গত এপ্রিলে সুপার টাইফুন ‘সিনলাকু’র আঘাতে অনেক মানুষ এখনও বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছেন। ওই ঝড়ে গুয়াম ও নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জে ১৭ জন নিহত হন এবং প্রায় ১৫০ কোটি ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়।

এনডব্লিউএস জানিয়েছে, সোমবার (৬ জুন) দুপুরের আগে বাতাসের গতি টাইফুনের মাত্রার নিচে নামার সম্ভাবনা নেই। আর মধ্যরাতের পর গিয়ে তা ক্রান্তীয় ঝড়ের পর্যায়ে নামতে পারে।

প্রায় এক লাখ ৭০ হাজার মানুষের বসবাসকারী পর্যটনকেন্দ্র গুয়ামে পাঁচটি স্কুলে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে সর্বোচ্চ প্রায় এক হাজার ৭০০ জন থাকতে পারবেন। মূলত ঝুঁকিপূর্ণ মানুষদের জন্যই এগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড় পর্যবেক্ষণ সংস্থা জয়েন্ট টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টার (জেটিডব্লিউসি) ‘বাভি’কে সুপার টাইফুন হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। মূলত ঘণ্টায় ২৪০ কিলোমিটারের বেশি গতির বাতাস থাকলে কোনও টাইফুনকে সুপার টাইফুন বলা হয়। এনডব্লিউএসের মতে, এর ধ্বংসক্ষমতা ক্যাটাগরি-৪ বা ক্যাটাগরি-৫ হারিকেনের সমান।

(যুগান্তর)




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD