মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন




তাপমাত্রা বৃদ্ধি: বছরে ৩ মাস মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকবেন প্রবীণরা

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ ৫:৩৯ pm
HEATWAVE temperature তাপপ্রবাহ hot গরম আবহাওয়া তাপমাত্রা পূর্বাভাস কুয়াশা লঘুচাপ বঙ্গোপসাগর সেলসিয়াস tem Weather আবহাওয়া Rain বৃষ্টি Cold wave শৈত্যপ্রবাহ শৈত্য প্রবাহ Climate Change Conference COP27 winter season temperate climate polar autumn coldest Cold পৌষ মাঘ শীতকাল তাপমাত্রা ঋতু হিমেল হাওয়া হাড় কাঁপুনি সর্দিজ্বর ঠান্ডা Weather আবহাওয়া Weather আবহাওয়া Rain বৃষ্টি tem degree Celsius
file pic

ভিন্ন বয়সী তিন ধরনের মানুষের ওপর ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক উষ্ণায়নের একটি সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যায়ন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা। ফলাফলে সতর্ক করে বলা হয়েছে, আগামীতে বিশ্বের তাপমাত্রা যদি ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তাহলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন দক্ষিণ এশিয়া ও উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রবীণরা।

দক্ষিণ এশিয়ায় ঝুঁকির মুখে থাকা দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমারকে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, সেখানে দারিদ্র্যের হার বেশি এবং শীতলীকরণ ব্যবস্থার সুযোগ সীমিত।

গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, শিল্প-বিপ্লবের আগের সময়ের চেয়ে বিশ্বের তাপমাত্রা যদি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়, তাহলে ৬০ বছরের বেশি বয়সী ২২ শতাংশ মানুষ বছরে অন্তত এক মাস অসহনীয় দাবদাহের মুখোমুখি হবেন। ১ দশমিক পাঁচের পরের প্রত্যেক ডিগ্রি সেলসিয়াসের কারণে আরও ১০০ কোটি মানুষ শরীরের সহ্যক্ষমতার বাইরে তাপ ও আদ্রতা অনুভব করবেন।

তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়লে দক্ষিণ এশিয়া ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসকারী প্রবীণরা বছরে টানা তিন মাস (দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা) মারাত্মক ঝুঁকির মুখে থাকবেন। তাপের মাত্রা ও বয়স বিবেচনায় এই মডেলটি তৈরি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। ‘দ্য ল্যানসেট প্ল্যানেটারি হেলথ’ জার্নালে এটি প্রকাশ হয়েছে সোমবার। বয়সভেদে তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব নিয়ে আগেও তারা গবেষণা করেছিলেন। কিন্তু সেগুলো ছিল মূলত তরুণ ও প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ ব্যক্তিদের ওপর।

বিশ্বের ক্রমবর্ধমান বয়স্ক জনসংখ্যার বিষয়টি মাথায় রেখে, গবেষকরা ২১০০ সালের মধ্যে তিনটি ভিন্ন বয়সী গোষ্ঠীর স্বাস্থ্যের ওপর তাপমাত্রার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে মডেলটি তৈরি করেন। এ ধরনের গবেষণার জন্য ‘ওয়েট-বাল্ব টেম্পারেচার’ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। একজন মানুষের শরীর কতটা তাপ সহ্য করতে পারে সে হিসাব এই পদ্ধতির মাধ্যমে বের করা হয়েছে। মানবসৃষ্ট বৈশ্বিক উষ্ণায়ন কোন পর্যায়ে গেলে, প্রবীণদের সহ্যক্ষমতার বাইরে যেতে পারে- সেটি বোঝাই ছিল এ গবেষণার উদ্দেশ্য।

সাধারণত বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ কম ঘামে। হৃদযন্ত্র তুলনামূলকভাবে দুর্বল হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা তৈরি হয়। এমন মানুষের ওপর তাপমাত্রার প্রভাব বুঝতে গবেষকরা যুক্তরাষ্ট্রে ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের ওপর ‘ওয়েট-বাল্ব’ পরীক্ষা চালান। প্রবীণদের শরীর উচ্চ তাপমাত্রা ও আর্দ্রতায় কেমন প্রতিক্রিয়া দেখায় সেটি পরীক্ষা করা হয়।

ইউরোপজুড়ে চলমান তাপপ্রবাহের মধ্যে গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হলো। বৈরী আবহাওয়ার করণে এই অঞ্চলে কয়েক হাজার মানুষ মারা গেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, অঞ্চলটি ইতিহাসের উষ্ণতম গ্রীষ্ম পার করছে। আগামী বছর তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এএফপি




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD