জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে না। এ আইন ব্যবহৃত হচ্ছে সরকারের নিরাপত্তার জন্য। সরকারের অবৈধ শাসন, দুর্নীতি ও লুটপাট সুরক্ষা দিতে এবং বিরোধী দলের কণ্ঠরোধ করার জন্য এ নিবর্তনমূলক জংলি আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।’
‘এ আইনে মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়, তাতে প্রমাণ হয় এই আইন কোনো স্বাধীন দেশের বা সভ্য সমাজের প্রতিনিধিত্ব করে না। এ আইন সংশোধনের অযোগ্য এবং এটাকে স্থগিত রাখারও কোনো সুযোগ নেই। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন দ্রুত বাতিল করতে হবে।’
জেএসডির উদ্যোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল ও সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধের দাবিতে শনিবার সকাল ১১টা জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।
মানববন্ধনে আবদুর রব আরও বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে ভয়ংকর ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে সাংবাদিক বা নাগরিক গ্রেফতার করে যে তুঘলকি কাণ্ড সংগঠিত করে তা পুরো বিচার ব্যবস্থাকেই পঙ্গু করে দিয়েছে। প্রথম আলোর সম্পাদকসহ সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন ও মামলা দ্রুত প্রত্যাহার করতে হবে। এই অসাংবিধানিক সরকার অপসারণের মাধ্যমে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।’
মানববন্ধনে দলের সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, ‘এই অনির্বাচিত সরকার বলপ্রয়োগ করে স্বেচ্ছাচার জারি রাখার জন্য যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করছে তার অন্যতম হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। সুতরাং গণবিরোধী ন্যায়বিচার পরিপন্থী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে ছুড়ে ফেলতে হবে।’
ঢাকা মহানগর সমন্বয়ক ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন সিনিয়র সহ-সভাপতি তানিয়া রব, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ সিরাজ মিয়া, অ্যাডভোকেট কেএম জাবির, একেএম মিজান উর রশিদ চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এমএ ইউসুফ, মোশারেফ হোসেন মন্টু, কামাল উদ্দিন মজুমদার সাজু, আইন ও বিচার বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক মজুমদার, শিক্ষা ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আজম খান, এমএ আউয়াল, তাবাসুম মৌ প্রমুখ।