যখন ‘আসতাগফিরুল্লাহ’ বলাটাও একটা পাপ! উদাহরণ স্বরূপ মনে করুন, একটি মেয়ের সাথে একটি ছেলের হারাম রিলেশনশিপ আছে। নিঃসন্দেহে তারা উভয়েই হারাম কাজে জড়িত। এখন কোনো একবার মেয়েটির সাথে দেখা সাক্ষাত, চ্যাটিং বা কথা বলার পর ছেলেটি ‘আসতাগফিরুল্লাহ’ বলে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলো। কিন্ত পরস্পরের মাঝে রিলেশনশিপ কন্টিনিউ আছে। তাহলে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার জন্য ঐ ‘আসতাগফিরুল্লাহ’ বলাটাও পাপ হিসেবে গণ্য হলো। কারণ হারাম কাজে বহাল থেকে ‘আসতাগফিরুল্লাহ’ বলাটা এক ধরনের মিথ্যাচার, যার কোনো মূল্য নেই।
আল্লামা সালেহ আল ফাউজান হাফিজাহুল্লাহ বলেছেন, “সীমালংঘন মূলক কাজে বহাল থেকে যে লোক মুখে ‘আসতাগফিরুল্লাহ’ বলে সে ‘কাযযাব’ বা ডাহা মিথ্যুক। তার ইসতিগফার কোনো কাজে আসবে না”।
আল ফুযাইল বিন ঈয়ায রহিমাহুল্লাহ বলেছেন, “সম্পূর্ণরুপে পাপ কাজ ছেড়ে দেয়া ছাড়া ‘ইসতিগফার’ করাটা হলো মিথ্যুকদের তওবা।”
জনৈক সালাফ বলেছেন,
“আমাদের ইসতিগফার পুনরায় ইসতিগফারের মুহতাজ”। অর্থ্যাৎ, যে ব্যক্তি ইসতিগফার করল কিন্ত পাপ কাজ ছাড়ল না তার এই ইসতিগফারটাই একটা পাপ হিসেবে গন্য হয় যা মিটানোর জন্য তাকে আরেকবার ইসতিগফার করতে হবে।
কাজেই সত্যিকারের ‘ইসতিগফার’ করা ছাড়া আমাদের গুনাহ কখনোই মাফ হবে না এবং আমরা মিথ্যুক হিসেবেই আল্লাহর কাছে পরিচিত থাকবো।
-লোকমান ত্রিশালী, মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
IFM desk.