মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন




ঋণ পুনঃতফসিলে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধের পরামর্শ ইআরএফের

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৩ ১১:১১ pm
ঋণ চুরি টাকা পাচার Per capita income মাথাপিছু আয় Reserves Reserve রিজার্ভ remittance রেমিট্যান্স প্রবাসী আয় ডলার dollar Pagla Mosque পাগলা মসজিদ কোটি টাকা Pagla Mosque পাগলা মসজিদ কোটি টাকা taka taka money laundering illegal process money generated criminal drug trafficking terrorist funding illegally concealing illicit drug trafficking corruption embezzlement gambling converting legitimate source crime jurisdictions আমদানি ওভার ইনভয়েসিং রপ্তানি আন্ডার-ইনভয়েসিং আমদানি-রপ্তানি অবৈধ জাল অর্থ পাচার জিএফআই মানি লন্ডারিং আর্থিক খাত গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বিএফআইইউ হুন্ডি অর্থ পাচার taka
file pic

দেশের ব্যাংক খাতে পুনঃতফসিল করা ঋণের স্থিতি এখন দুই লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেওয়া বিশেষ নীতি সুবিধার কারণে ঋণ পুনঃতফসিলের পাহাড় তৈরি হয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে কেউ যেন পুনঃতফসিল সুবিধা নিতে না পারে সে বিষয়টি শক্তভাবে তদারকির পরামর্শ দিয়েছে ইকোনোমিক রিপোর্টারস ফোরাম (ইআরএফ)।

সোমবার (৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব পরামর্শ দেন ইআরএফ’র নেতারা। বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সলিমুল্লাহ, অন্যান্য ডেপুটি গভর্নর, ইআরএফ’র সভাপতি মোহাম্মদ রেফায়েত উল্লাহ মৃধা, সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে পরামর্শমূলক সভার অংশ ছিল এটি।

বৈঠক শেষে ইআরএফ সভাপতি রেফায়েতউল্লা মৃধা বলেন, অর্থনীতিকে কীভাবে আরও স্থিতিশীল করা যায় সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছে ইআরএফ। এর জবাবে আমাদের অর্থনীতি খুব দ্রুতই স্থিতিশীল অবস্থার দিকে যাবে বলে আশ্বাস দেন গভর্নর। গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে রিজার্ভ থেকে আর কোনও বিনিয়োগ করবে না বাংলাদেশ ব্যাংক।

ইআরএফ সভাপতি বলেন, বিলাসী পণ্য আমদানিতে যেসব বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে তা ঠিকমতো তদারকির কথা বলেছি। পাশাপাশি পণ্য আমদানি-রফতানির আড়ালে কোনোভাবেই যেন অর্থপাচার না হয় সে বিষয়ে গুরুত্ব দিতে বলেছি।

সর্বশেষ ২০২২ সালে ৬৩ হাজার ৭১৯ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল করেছে ব্যাংকগুলো। সেটি অনুমোদন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। একইভাবে ব্যাংকগুলো নিজেরাও পুনঃতফসিল করেছে। এর ফলে এসব ঋণ খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি। গত জুন শেষে খেলাপি ঋণ ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৯ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। আর পুনঃতফসিল করা ঋণকে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করা হলে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ২০ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতো।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD