সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন




মৃত পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের ১০টি কতর্ব্য

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৪ ৮:০৮ pm
মৃত্যু মৃত্যুবরণ grave dead body buried funeral burial মৃত কবর দাফন জিয়ারত যিয়ারত জানাজা
file pic/ Rangpur, Ppirganj

পিতা-মাতার নিকট প্রতিটি সন্তান তার অস্তিত্বের জন্য ঋণী। আর তাই আল কুরআনে আল্লাহ তা’আলার ইবাদতের পরই পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণ করার কথা বার বার উচ্চারিত হয়েছে।

যেমন: আল্লাহ তা’আলা বলেন: “আর তোমার প্রতিপালক নির্দেশ দিয়েছেন যে, তোমরা তিনি ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করবে না এবং পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করবে; তাদের একজন অথবা উভয়েই তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হলে তাদেরকে ‘উফ’ বলো না এবং ধমক দিও না এবং তাদের সাথে বলো সম্মান জনক কথা।” (সূরা ইসরা/ বনী ইসরাঈল: ২৩)

তবে তাদের জীবদ্দশায় তাদের প্রতি সদাচরণের সব দায়-দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না বরং মৃত্যুর পরও তাদের প্রতি আমাদের কিছু করণীয় রয়েছে। তাই সংক্ষেপে জেনে নি, মৃত্যুর পরে তাদের প্রতি আমাদের কী কী করণীয় রয়েছে।

পিতা-মাতার মৃত্যুর পর তাদের প্রতি সন্তানদের যে সকল করণীয় রয়েছে সেগুলো মধ্যে অন্যতম হলো:

১. অধিক পরিমাণে তাদের জন্য দু’আ করা (এটি মৃত পিতা-মাতার জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও উপকারী)

২. তাদের পক্ষ থেকে দান-সদকা করা।

৩. তাদের পক্ষ থেকে হজ বা উমরা আদায় করা। (তবে যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে হজ-উমরা করতে চায় তার জন্য আগে নিজের হাজ-উমরা আদায় করা আবশ্যক)

৪. তারা ঋণ রেখে গেলে ওয়ারিশদের মাঝে তার পরিত্যক্ত সম্পদ বণ্টনের পূর্বে ঋণ পরিশোধ করা।

৫. তিনি কোনও কিছু ওসিয়ত করে গেলে তা বাস্তবায়ন করা (যদি তা শরিয়ত সম্মত হয়)।

৬. তাদের পক্ষ থেকে অসুস্থতা, বার্ধক্য ইত্যাদি ওজরের কারণে রমাযান বা মানতের ছুটে যাওয়া ফরজ রোজা কাজা করা।

৭. তাদের উপর হজ ফরজ হওয়ার পর শরিয়ত সম্মত ওজরের কারণে তা পূরণ করা সম্ভব না হলে অথবা কোন শরিয়ত সম্মত মানত অথবা কাফফারা (যেমন: মানত ভঙ্গ, কসম ভঙ্গ, ভুলবশত: কোন মানুকে হত্যা ইত্যাদির কাফফারা) আদায় বাকি থাকলে সেগুলো বাস্তবায়ন করা। কেননা, ফরজ রোজা, ফরজ হজ, মানত, কাফফারা ইত্যাদি আল্লাহর হক। আর আল্লাহর হক বাস্তবায়ন করা সবচেয়ে বেশি হকদার।

৮. তার নিকটাত্মীয় ও বন্ধু-স্বজনদেরকে সম্মান করা।

৯. সন্তানদের কর্তব্য, আল্লাহর দ্বীনের পথে পরিচালিত হওয়া এবং আল্লাহর নাফরমানি থেকে দূরে থাকা। সন্তানগণ যত বেশি নেকির কাজ করবে পিতা-মাতা কবরে থাকা অবস্থায় এর সওয়াব পাবে যদি তারা জীবদ্দশায় তাদের সন্তানদেরকে দীনের উপর গড়ে তুলে এবং দীনের উপর চলতে পরামর্শ, উৎসাহ বা নির্দেশ দিয়ে যায়।

১০. মৃত ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে সব ধরনের বিদ’আতি কার্যক্রম থেকে দূরে থাকা। যেমন: চল্লিশা/চেহলাম, কুলখানি, ফাতিহাখানি, মিলাদ মাহফিল, মৃত্যুবার্ষিকী, সাবিনা খতম বা হাফেজ-কারীদেরকে দিয়ে কুরআন খতম করে তার সওয়াব রেসানি বা ঈসালে সওয়াব করা ইত্যাদি।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD