বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ন




নিজের ও পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব তুলে ধরলেন আসিফ মাহমুদ

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬ ৯:৫৩ pm
Mass uprising martyrs injured injure July Martyr July Fighter July Fighters Asif Mahmud Asif উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ QUOTA REFORM blockade shabag Shahbagh Shahbag Blockade শাহবাগ অবরোধ প্রতিবন্ধ আটক কারাগার আবরণ পরিবেষ্টন ঘেরাও shahbagh_quota_protest shahbagh quota protest shahbagh_quota_protest shahbagh quota protest2 বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক-আসিফ Asif
file pic

নিজের ও পরিবারের ব্যাংক হিসাব প্রকাশ করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

উপদেষ্টা থাকাকালে দুর্নীতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যাংক হিসাব তুলে ধরেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব তুলে ধরে আসিফ মাহমুদ বলেন, আমার বাবার পাঁচটি অ্যাকাউন্ট আছে। এই পাঁচটি একাউন্ট মিলে মোট ক্রেডিট আছে পাঁচ লাখ ৪৭ হাজার ৭১১ টাকা। বাবার ১০ লাখ টাকার মতো সার্ভিস লোন আছে। যেটা প্রতি মাসে ওনার বেতন থেকে কেটে নেওয়া হয়। সার্ভিস লোনে এখনো পেমেন্ট বাকি আছে ছয় লাখ ৩৯ হাজার ৭৪৬ টাকা। সুতরাং যা ক্রেডিট আছে, সেটা যদি বাদ দেই, তাহলে তিনি এখনো ৮২ হাজার ৩৫ টাকার মত দেনায় আছেন। আমার মায়ের একটা একাউন্ট আছে। তাতে ২১ হাজার ১৫৪ টাকা আছে। আমার স্ত্রীর একটা একাউন্টে ৬১৪ টাকা আছে।

নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, আমার ব্যক্তিগত দুটি একাউন্ট আছে। এর মধ্যে সোনালী ব্যাংকে আমার একটি সেভিংস অ্যাকাউন্টে নয় হাজার ৯৩০ টাকা আছে। আরেক অ্যাকাউন্ট হলো স্যালারি একাউন্ট। সরকারে থাকা অবস্থায় বেতন ও টিএডিএসহ যে লেনদেন, সেটা এই একাউন্টের মাধ্যমেই হতো। ১৬ মাসের বেতন ও ভাতাসহ গড়ে প্রতি মাসে এক লাখ ৬৫ হাজার টাকার মতো ছিল। আমি পাঁচবার বিদেশ সফরে গিয়েছিলাম। বিদেশ সফরের যে টিএডিএ বিল সরকারের পক্ষ থেকে দেয়, সেটাও এই একাউন্টে এসেছে। সেটা ছয়–সাত লাখ টাকা করে হবে। পাঁচবার বিদেশ সফরের বাইরেও সরকার থেকে আরো বিভিন্ন খাতে বিভিন্ন ভাতা মিলিয়ে এই একাউন্টে এখন আছে নয় লাখ ৭৮ হাজার ৬২৬ টাকা। এই একাউন্টে মোট ক্রেডিট হয়েছে মোট ৮৫ লাখ ৮১ হাজার টাকা। ডেবিট হয়েছে ৭৬ লাখ তিন হাজার টাকা। এখন আছে নয় লাখ ৭৮ হাজার টাকা। আমার দুই একাউন্ট মিলিয়ে মোট আছে নয় লাখ ৭৮ হাজার ৫৫৬ টাকা।

অ্যাকাউন্টে ট্র্যান্সজাকশনের বিবরণ দিয়ে তিনি বলেন, গড়ে বেতন এক লাখ ৬৫ কিংবা ৭০ হাজার ধরে এই ৮৫ লাখের মধ্যে বেতন আছে ২৫ লাখের মতো। পাঁচবার বিদেশ সফর প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকার মতো হবে। এর বাইরেও আরো নানা সরকারের ভাতাদি এবং অন্যান্য আরো খরচ। এই একাউন্টে যে টাকাটা এসেছে, পুরোটাই ‘আইবাস প্লাস প্লাস’র মাধ্যমে যে বেতন ও অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হয়, শুধু সেখান থেকেই টাকা ক্রেডিট হয়েছে। এর বাইরে থেকে অন্য কোনো উৎস থেকে টাকা ক্রেডিট হয়নি। পুরো লেনদেনটাই সরকারের সঙ্গে। এটার পুরো রেকর্ড মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আছে।

আসিফ মাহমুদের অভিযোগ, ৫৬ জনের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া হয়েছে। তথ্য চেয়ে ব্যাংকগুলোতে যে বার্তা দেওয়া হয়েছিল, তাতে বলা হয়েছিল, এটা গোপনীয়ভাবে বাংলাদেশ ফাইনান্স ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফইউ) কাছে পাঠাতে হবে। কিন্তু বিএফইউ তার অফিশিয়াল সাংবাদিকদের গ্রুপে সেই গোপনীয় তথ্য নিজেরাই পাবলিক করেছেন। আমি মনে করি, একজন নাগরিক হিসেবে এটা একজন নাগরিকের প্রাইভেসি নষ্ট করা। এ সময় তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে মেয়র প্রার্থী হওয়ায় প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD