গাজীপুরের কোনাবাড়ী, কালিয়াকৈর ও আশুলিয়ার শিল্পকারখানাগুলো একযোগে ছুটি হওয়ায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে প্রায় ৩০ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে যানবাহনগুলো কখনো স্থির থাকতে দেখা গেছে, আবার কখনো ধীরে ধীরে চলতে।
গাজীপুরের চান্দনা বাইপাস, কোনাবাড়ী, মৌচাক, সফিপুর অপরদিকে কালিয়াকৈর নবীনগর সড়কে বাড়ইপাড়া, জিরানী, আশুলিয়ার বাইপেলসহ সকল বাসস্টেশন এলাকায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। দুপুরের পর একসাথে বাড়িফেরা মানুষ সড়কে আসাতে শুরু করায় যাত্রীবাহী বাসের সংকটও দেখা যাচ্ছে। ফলে অনেক যাত্রী বেশি ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা বাস টার্মিনালের আশপাশের ৩০ কিলোমিটার থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। গাজীপুর বাইপাস থেকে চন্দ্রা টার্মিনাল পর্যন্ত ও চন্দ্রা-নবীনগর সড়কের আশুলিয়ার বাইপেল থেকে চন্দ্রা টার্মিনাল পর্যন্ত এ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। আজ দুপুরের গাজীপুরের ৪০ শতাংশ কারখানা ছুটি হওয়ায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
আব্দুল হাই নামে এক শ্রমিকের সঙ্গে কথা হয় চন্দ্রা ফ্লাইওভারের নিচে। তিনি বলেন, ‘দুপুরে কারখানা ছুটি হয়েছে। আমি ছুটির সাথে সাথে রওনা হয়েছি। চন্দ্রা এলাকায় সিরাজগঞ্জের কোনো বাস পাচ্ছি না। প্রায় দুই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছি।’
কারখানা ও শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গাজীপুরে ছোটবড় প্রায় ৫ হাজার শিল্পকারখানা রয়েছে। এবারের ছুটি ধাপে ধাপে দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার অধিকাংশ কারখানা ছুটি হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ৮৩৩টি কারখানা ছুটি হবে।
কোনাবাড়ী নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন, দুপুরের পর থেকে রিজার্ভ বাসের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এ দীর্ঘ জটের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ যানজট নিরসনে কাজ করে যাচ্ছে।