মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন




শাওয়ালের ৬ রোজা রাখার নিয়ম ও ফজিলত

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬ ১:৩২ pm
আশুরা Moon National Moon sighting committee meets জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা রোজা রমজান রোজা sobe borat Shab e Barat namaz রজনী নিসফে শাবান‎ লাইলাতুল বরাত শা'বান মাস ইবাদত বন্দেগি শবে বরাত প্রার্থনা মুসলিম উম্মা মহিমান্বিত রাত শবে বরাত নফল ইবাদত কোরআন তেলাওয়াত জিকির-আসকার জিকির আসকার মোনাজাত ফজিলত ধর্মপ্রাণ মুসলমান Sehri Iftar শবে মেরাজ islam eid e miladunnanabi Eid Milad un Nabi Rabi al awwal রবিউল আউয়াল ঈদে মিলাদুন্নবী Rabi al-Awwal eid মুহাম্মদ সা রবিউল আউয়াল ঈদeid e miladunnanabi Eid Milad un Nabi Rabi al awwal রবিউল আউয়াল ঈদে মিলাদুন্নবী ইসলাম ইদ ঈদ চাঁদ চাদ
file pic

রমজানের পরের মাস শাওয়াল। পবিত্র রমজান মাসজুড়ে যারা সিয়াম পালন করেছেন, শাওয়াল মাসে তারা ছয়টি নফল রোজা রাখলেই মিলবে সারাবছর রোজা রাখার সওয়াব। এ ছয়টি রোজা রাখা মোস্তাহাব।

বিশুদ্ধ হাদিসে হজরত আবু আইয়ূব আনছারী রা. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে মাহে রমজানের রোজা রাখল এরপর শাওয়ালে ছয়টি রোজা রাখল, এটি তার জন্য সারা বছর রোজা রাখার সমতুল্য হবে। (সহিহ মুসলিম : ১১৬৪, জামে তিরমিজি : ৭৫৯, সুনানে আবু দাউদ : ২৪৩৩)

রমজান মাস ও শাওয়ালের ছয় দিন রোজা রাখলে কীভাবে পুরো বছর রোজা রাখার সওয়াব হবে, এর বিবরণ এসেছে আরেক হাদিসে।

ছাওবান রা. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রমজান মাসে রোজা রাখা দশ মাস রোজা রাখার সমান এবং শাওয়ালে ছয় দিন রোজা রাখা দুই মাস রোজা রাখার সমান। সুতরাং রমজান ও ছয় রোজা মিলে এক বছরের রোজার সমান। (সুনানে কুবরা, নাসাঈ : ২৮৭৩, সহীহ ইবনে খুযায়মা : ২১১৫, মুসনাদে আহমাদ : ২২৪১২, সুনানে কুবরা, বায়হাকি : ৪/২৯৩)

হাদিসটির আরেক বর্ণনায় এসেছে, আল্লাহ তাআলা এক নেকিকে দশ নেকির সমান করেছেন। সুতরাং (রমজানের) এক মাস (রোজা রাখা) দশ মাসের সমান। আর সাথে ঈদুল ফিতরের পরে ছয় দিন রোজা রাখা সারা বছর রোজা রাখার সমান। (সুনানে নাসাঈ : ২৮৭৪)

হাদিসে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শাওয়াল মাসের প্রথমদিকে, মধ্যভাগে বা শেষাংশে নির্দিষ্ট করে রোজা রাখার কথা বলেননি। আবার রোজা ছয়টি লাগাতার রাখার নির্দেশনাও হাদিসে পাওয়া যায় না।

তাই শাওয়াল মাসের প্রথম দিন অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের দিনটি বাদ দিয়ে মাসের যেকোনো ছয়দিনে রোজা রাখলেই নির্ধারিত ফজিলত পাওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে রোজাগুলো ধারাবাহিকভাবে একত্রে রাখা যায়, আবার বিরতি দিয়েও রাখা যায়। ( লাতাইফুল মাআরিফ : ৪৮৯, বাদায়েউস সানায়ে : ২/২১৫, আলমাজমূ : ৬/৪২৬-৪২৭, আলমুহীতুল বুরহানী : ৩/৩৬২, ফাতহুল মুলহিম : ৩/১৮৭, আলমুগনী : ৪/৪৩৮)

উল্লেখ্য, যাদের কাজা রোজা আছে, অসুস্থতা কিংবা নারীদের হায়েজ-নেফাসের কারণে রমজানের রোজা অপূর্ণ থাকে, তাদের জন্য নিয়ম ও করণীয় হলো, শাওয়াল মাসে তাদের ভাংতি রোজাগুলো আগে পূর্ণ করে নেবে, তারপর তারা শাওয়ালের ৬ রোজা পালন করবে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD