বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন




আইএলওর প্রতিবেদন

বাংলাদেশের ৪৮% কর্মোপযোগী মানুষের কারিগরি প্রশিক্ষণ জরুরি

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬ ১১:৩৫ am
International Labour Organization আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও ilo
file pic

বিশ্বজুড়ে শ্রমবাজার দ্রুত রূপান্তরিত হচ্ছে। ডিজিটাল প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সবুজ রূপান্তর ও জনমিতিক পরিবর্তনের প্রভাব এর অন্যতম কারণ। পরিবর্তিত এ শ্রমবাজারে নিজেকে যোগ্য করে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দরকার স্বল্পমেয়াদি কারিগরি প্রশিক্ষণ। বাংলাদেশের অন্তত ৪৮ শতাংশ কর্মউপযোগী মানুষের জন্য এটা প্রয়োজন।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

‘লাইফলং লার্নিং অ্যান্ড স্কিলস ফর দ্য ফিউচার’ শীর্ষক এ প্রতিবেদনটি কর্মী জরিপ, অনলাইন চাকরির চাহিদা বিশ্লেষণ, প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য ও প্রশিক্ষণের কার্যকারিতা সংক্রান্ত ১৭৪টি গবেষণার পর্যালোচনার ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থায় পর্যাপ্ত বিনিয়োগ না হলে চলমান বৈশ্বিক পরিবর্তনগুলো দেশভেদে ও দেশের অভ্যন্তরে বৈষম্য আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

আইএলও তাদের নতুন প্রতিবেদনে জীবনব্যাপী শিক্ষাকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক নীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রাখার জন্য সরকারগুলোর প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে।

আইএলওর জরিপে অংশ নেওয়া বাংলাদেশিদের প্রায় অর্ধেক (৪৮ শতাংশ) উত্তরদাতা জানিয়েছেন, প্রশিক্ষণের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। এটা হতে হবে ‘নতুন কারিগরি দক্ষতা শেখার জন্য স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ’। ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণদের অর্ধেকেরও বেশি চান ‘ডিজিটাল/কম্পিউটার দক্ষতায় স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ’।

জীবনব্যাপী শিক্ষা বর্তমান কর্মসংস্থান ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ তৈরি করে। এটি শুধু উৎপাদনশীলতা বা চাকরির সুযোগ বাড়ায় না, বরং ভালো কাজ নিশ্চিত করা, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা ও স্থিতিশীল সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।-আইএলওর মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ হংবো

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক শিক্ষাসম্পন্ন কর্মক্ষম বয়সী প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্র এক-চতুর্থাংশ কোনো না কোনো শেখার কার্যক্রমে (অনানুষ্ঠানিক বা নন-ফরমাল) অংশ নিয়েছেন। বিপরীতে মাধ্যমিক শিক্ষা নেই এমন ব্যক্তিদের মধ্যে মাত্র ৩ দশমিক ৭ শতাংশ আনুষ্ঠানিক শিক্ষায় অংশ নিয়েছেন। অনানুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণেও রয়েছে একই প্রবণতা।

আইএলও আরও উল্লেখ করেছে, আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মীদের মধ্যেও রয়েছে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণে স্পষ্ট বৈষম্য। যে সব পেশায় সাধারণত উচ্চতর শিক্ষার প্রয়োজন হয়— যেমন ব্যবস্থাপক, পেশাজীবী ও প্রযুক্তিবিদ— সেসব ক্ষেত্রে কর্মীরা আনুষ্ঠানিক শিক্ষায় বেশি অংশ নেন। বিপরীতে প্রাথমিক পর্যায়ের পেশাগুলোর ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ৩ দশমিক ৫ শতাংশ।

এছাড়া প্রায় তিন-চতুর্থাংশ (৭২ শতাংশ) উত্তরদাতা জানান, শিক্ষানবিশ বা ইন্টার্নশিপে অংশগ্রহণ তাদের কাজের দক্ষতা উন্নত করতে সহায়ক হয়েছে।

আইএলওর মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ হংবো উল্লেখ করেন, জীবনব্যাপী শিক্ষা বর্তমান কর্মসংস্থান ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ তৈরি করে। এটি শুধু উৎপাদনশীলতা বা চাকরির সুযোগ বাড়ায় না, বরং ভালো কাজ নিশ্চিত করা, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা ও স্থিতিশীল সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কোন ধরনের প্রশিক্ষণ দরকার
জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশের কর্মীরা পরিবর্তিত শ্রমবাজারের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণের প্রয়োজন অনুভব করছেন।

সবচেয়ে বেশি চাহিদা দেখা যায়, নতুন কারিগরি দক্ষতা শেখার জন্য স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণে, যার হার ৪৮ দশমিক ৫ শতাংশ। এই চাহিদা তরুণদের মধ্যে ৫১ দশমিক ৫ শতাংশ, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ৪৭ দশমিক ৯ শতাংশ এবং প্রবীণদের মধ্যে ৩৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

এরপর রয়েছে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক প্রাথমিক কারিগরি প্রশিক্ষণ, যা ৩৬ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ প্রয়োজন বলে মনে করেন। এই চাহিদা প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ৩৮ দশমিক ৯ শতাংশ, প্রবীণদের মধ্যে ৩৮ দশমিক ৭ শতাংশ এবং তরুণদের মধ্যে ৩০ দশমিক ৮ শতাংশ।

ব্যক্তিগত উন্নয়ন ও মানসিক দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ প্রয়োজন বলে জানান ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা। এটি প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ৩২ শতাংশ, প্রবীণদের মধ্যে ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ এবং তরুণদের মধ্যে ২১ দশমিক ৩ শতাংশ।

ডিজিটাল ও কম্পিউটার দক্ষতা প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে। সামগ্রিকভাবে এই চাহিদা ২৮ শতাংশ। তবে তরুণদের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ এবং প্রবীণদের মধ্যে ৫ দশমিক ১ শতাংশ।

ক্যারিয়ার ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণের প্রয়োজন জানিয়েছেন ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা। এই হার তরুণদের মধ্যে ২১ শতাংশ, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ১৪ দশমিক ৫ শতাংশ এবং প্রবীণদের মধ্যে ১০ দশমিক ৯ শতাংশ।

যোগাযোগ, সহযোগিতা ও দলগত কাজের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের প্রয়োজন উল্লেখ করেছেন ৯ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ। তরুণদের মধ্যে এই হার ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ এবং প্রবীণদের মধ্যে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ।

স্ব-সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতা উন্নয়নের চাহিদা ৭ দশমিক ৪ শতাংশ। প্রবীণদের মধ্যে এটি ১০ দশমিক ২ শতাংশ, তরুণদের মধ্যে ৮ শতাংশ এবং প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ।

সবচেয়ে কম চাহিদা দেখা গেছে সৃজনশীলতা, কৌশলগত চিন্তাভাবনা ও সমস্যা সমাধান দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণে, যা ৪ দশমিক ৮ শতাংশ। এই চাহিদা তরুণদের মধ্যে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ৪ দশমিক ২ শতাংশ এবং প্রবীণদের মধ্যে ২ দশমিক ৯ শতাংশ।

সার্বিকভাবে জরিপে দেখা যায়, বাংলাদেশের কর্মীদের প্রধান অগ্রাধিকার স্বল্পমেয়াদি কারিগরি ও ডিজিটাল দক্ষতা প্রশিক্ষণ। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে ডিজিটাল দক্ষতার চাহিদা সবচেয়ে বেশি, আর বয়স্কদের মধ্যে প্রাথমিক ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক কারিগরি প্রশিক্ষণের প্রয়োজন তুলনামূলকভাবে বেশি।

দক্ষতার পরিবর্তিত চাহিদা ও বৈষম্য
প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে, দ্রুত পরিবর্তনশীল কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দক্ষতার চাহিদাও বদলে যাচ্ছে। ডিজিটাল প্রযুক্তি ও এআই কাজের ধরন পাল্টে দিচ্ছে, সবুজ অর্থনীতির প্রসার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছে এবং জনসংখ্যার বার্ধক্য সেবা খাতে চাহিদা বাড়াচ্ছে।

তবে তথ্য বলছে, ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সীদের মধ্যে মাত্র ১৬ শতাংশ গত এক বছরে কোনো কাঠামোবদ্ধ প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন। আনুষ্ঠানিক খাতে স্থায়ী পূর্ণকালীন কর্মীদের মধ্যে এমন প্রশিক্ষণের সুযোগ পেয়েছেন ৫১ শতাংশ। এই বৈষম্যটি বিশেষ করে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকদের মধ্যে শেখার সুযোগের পার্থক্যকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

স্বল্প শিক্ষিত ও অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত ব্যক্তিরা সাধারণত কাজের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করেন, যেখানে অন্যরা প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ও সহকর্মীদের সহায়তায় শেখার সুযোগ পান। ফলে এমন একটি শিক্ষা কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা সামনে আসে, যা কর্মজীবনের সময়জুড়ে দক্ষতা অর্জনের প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত করে।

বাংলাদেশে আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন বলেন, বৈশ্বিক প্রবণতাগুলো বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। বর্তমান শ্রমবাজারে প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি সফট স্কিলের (ব্যক্তিগত দক্ষতা) গুরুত্ব বাড়ছে। এজন্য প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদার ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা প্রয়োজন, যাতে মানসম্মত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা যায়।

আইএলওর সুপারিশ
এ ধরনের পরিস্থিতিতে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক এ সংস্থাটি।

জীবনব্যাপী শিক্ষাকে কৌশলগত অগ্রাধিকার হিসেবে দেখা
এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর মাত্র ১২ দশমিক ৬ শতাংশ সংগঠিত শিক্ষায় যুক্ত থাকায় জীবনব্যাপী শিক্ষাকে একটি জাতীয় কৌশলগত অগ্রাধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। এজন্য মন্ত্রণালয়, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, নিয়োগকর্তা ও শ্রমিক সংগঠনগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। পাশাপাশি জীবনব্যাপী শিক্ষা এবং অন্য জাতীয় নীতির মধ্যে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করা কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শেখার ক্ষেত্রে আর্থিক বাধা কমানো
শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে আর্থিক প্রতিবন্ধকতা কমাতে সরকারকে বিভিন্ন ধরনের অনুদান ও সহায়তা বাড়াতে হবে, বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য। নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে সহ-অর্থায়ন, কর ছাড় ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মতো ব্যয় ভাগাভাগির ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে। একই সঙ্গে ফলাফলভিত্তিক চুক্তি ও লক্ষ্যভিত্তিক সরকারি প্রশিক্ষণ তহবিলও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

শিক্ষার সহজলভ্যতা ও নমনীয়তা বাড়ানো
নারী, বয়স্ক কর্মী এবং অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকরা শেখার সুযোগে বেশি বাধার মুখে পড়েন। তাই নমনীয় ও সহজলভ্য শিক্ষাব্যবস্থা যেমন মডিউলার, ডিজিটাল, মিশ্র শিক্ষা পদ্ধতি এবং মাইক্রো-ক্রেডেনশিয়াল সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ডিজিটাল বিভাজন কমানোর দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

দক্ষতার চাহিদা পূরণে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা জোরদার করা
শ্রমবাজারের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে সামঞ্জস্য করতে সরকার, নিয়োগকর্তা ও শ্রমিক সংগঠন এবং প্রশিক্ষণ প্রদানকারীদের মধ্যে কাঠামোগত সামাজিক সংলাপ জোরদার করতে হবে। সেক্টরভিত্তিক দক্ষ অবকাঠামো এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি ডিজিটাল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সবুজ অর্থনীতির দক্ষতায় বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

শ্রমবাজার তথ্য ব্যবস্থায় দক্ষতা সংক্রান্ত তথ্য উন্নত করা
শ্রমবাজারে কোন ধরনের দক্ষতার চাহিদা রয়েছে তা সেক্টর ও পেশাভিত্তিকভাবে সময়োপযোগীভাবে জানার জন্য উন্নত তথ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এসব তথ্য নীতি নির্ধারণ, দক্ষতা পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ নকশায় ব্যবহার করতে হবে। জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। পাশাপাশি মানসম্মত নির্দিষ্ট কাঠামো বা শ্রেণিবিন্যাস ব্যবহার করলে আন্তর্জাতিক তুলনা ও আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও সহজ হবে।

কর্মভিত্তিক শিক্ষা ও মানসম্মত শিক্ষানবিশ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা
কর্মক্ষেত্রভিত্তিক শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে হবে, যাতে শ্রমিকরা পরিবর্তিত কাজের চাহিদার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে। এটি কর্মজীবনের রূপান্তর সহজ ও দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করবে এবং প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতা বাড়াবে। মানসম্মত শিক্ষানবিশ কার্যক্রম এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD