শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন




গবেষণা: স্ক্রিনে ডু্বে থাকছে শিশুরা, দুই-তৃতীয়াংশই ভুগছে চোখের সমস্যায়

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬ ১১:৩৬ am
International Children's day Children বিশ্ব শিশু দিবস বিশ্ব-শিশু-দিবস boy Smartphone samrt phone baby মোবাইল ফোন মোবাইলফোন স্মার্ট ফোন অ্যাডিকশন স্মার্টফোন আসক্তি শিশু কিশোর কিশোরী
file pic

একটা সময় শৈশব মানেই ছিল খোলা মাঠে দৌড়ঝাঁপ, বন্ধুদের সঙ্গে গল্প আর প্রাণখোলা হাসি। কিন্তু এখনকার শিশুদের বেশির ভাগ সময় কাটে ডিজিটাল ডিভাইসের স্ক্রিনে; যার প্রভাব পড়ছে তাদের শরীর ও মনে।

অতিরিক্ত ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের ক্ষতি সম্পর্কে জানতে ঢাকার ছয়টি স্কুলের ৪২০ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে গবেষণা করে আইসিডিডিআর’বি। এতে দেখা যায়, প্রতি তিনজনে দুজন ভুগছে চোখের সমস্যায়। আর ৮০ শতাংশ শিশু প্রায়ই আক্রান্ত হচ্ছে মাথাব্যথায়।

গবেষণা বলছে, শিশুরা দিনে গড়ে সাড়ে ৪ ঘণ্টার বেশি সময় কাটাচ্ছে স্মার্টফোন, টিভি, ট্যাব কিংবা গেমিং ডিভাইসে। অথচ, আন্তর্জাতিকভাবে ডিভাইস ব্যবহারের স্বীকৃত সময় সবোর্চ্চ দুই ঘণ্টা। ওই গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি পাঁচজন শিশুর অন্তত দুজন দুশ্চিন্তা, অতিচঞ্চলতা কিংবা আচরণগত সমস্যায় ভুগছে।

আইসিডিডিআর’বির সহকারী সায়েন্টিস্ট ডা. শাহরিয়া হাফিজ কাঁকন বলেন, শিশুদের পাশাপাশি আমরা অভিভাবকদেরও স্ক্রিন টাইমটা মেজার করেছি। সেখানে দেখা গেছে, শিশুরা তো গড়ে ৫ ঘণ্টা থাকছে স্ক্রিনে, অভিভাবকরাও থাকছে গড়ে ৪ ঘণ্টা। এ জন্য অভিভাবকরা শিশুদের গাইড করছে ঠিকই, কিন্তু গাইড করার যথাযথ ধারণা তাদের মধ্যে নেই। যে কারণে প্রভাবটা বেশি পড়ছে।

গবেষকের পরামর্শ, শিশুদের স্ক্রিন ব্যবহারে সময়সীমা নির্ধারণ করতে হবে অভিভাবকদের। এ ছাড়া পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, খেলাধুলা ও বই পড়ার অভ্যাস বাড়াতে হবে।

ডা. শাহরিয়া হাফিজ কাঁকন বলেন, অভিভাবকরা কাজ করে বাসায় ফিলে এলে শিশুদের এক ঘণ্টা হলেও সময় দিতে হবে। ওর সঙ্গে বসে গল্প করতে হবে। ওর কথা শুনতে হবে। বাড়ির ছাদে আমরা খেলাধুলার জায়গা করে দিতে পারি শিশুদের। অনেক কিছুই করা সম্ভব, এটি অভিভাবকদেরই চিন্তা করতে হবে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD