বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:৪১ অপরাহ্ন




থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন হতে পারে ১৬ ডিসেম্বর: বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬ ১২:৫৩ pm
থার্ড টার্মিনালের থার্ড টার্মিনাল terminal এয়ারপোর্ট HSIA CAAB hazrat shahjalal international airport dhaka biman হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিমানঘাঁটি Hazrat Shahjalal International Airport বিমানবন্দর বিমান বন্দর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিমানঘাঁটি Hazrat Shahjalal International Airport বিমানবন্দর বিমান বন্দর HSIA CAAB Terminal বিমানবন্দর-3rd terminal Biman probasi jatri বিমান যাত্রী প্রবাসী বিমান বন্দর Biman inner বিমান উরোজাহাজ ফ্লাইট বিমান বন্দর এয়ারপোর্ট probasi-saudi-remitance-প্রবাসী-রেমিটেন্স-Mediterranean Sea Atlantic Ocean লিবিয়া ত্রিপোলি ভূমধ্যসাগর উপকূল ভূমধ্য সাগর আটক অভিবাসী সাগর উদ্ধার কোস্টগার্ড airport-terminal
file pic

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল আগামী ১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধন করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি জানান, বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ব্যবস্থাপনা নিয়ে জাপানের সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আগামী ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে এ চুক্তি হওয়ার কথা থাকলেও সরকার তা আরও আগে সম্পন্ন করার চেষ্টা করছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান বিমান পরিবহন চাহিদা বিবেচনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর (ফ্লিট) সম্প্রসারণ জরুরি। বর্তমানে ১৪টি নয়, বাংলাদেশের জন্য ৪৭টি উড়োজাহাজ প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি জানান, ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কিনতে প্রায় ২ দশমিক ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হবে। তবে আয় থেকে কিস্তিতে এসব উড়োজাহাজের মূল্য পরিশোধ করা সম্ভব বলেও উল্লেখ করেন তিনি। নতুন বোয়িং উড়োজাহাজগুলোর প্রথমটি ২০৩১ সালে পাওয়া যাবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ব্যবস্থাপনার ত্রুটি দূর করতে প্রতিষ্ঠানটিকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

হজযাত্রীদের লাগেজ কেটে ফেলার অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এ ধরনের তথ্য তদন্তে অসত্য প্রমাণিত হয়েছে। তদন্তে লাগেজ মিস হ্যান্ডলিংয়ের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং এ বিষয়ে কোনো হজযাত্রী লিখিত বা মৌখিক অভিযোগও করেননি।

তিনি আরও জানান, ২১টি লাগেজে ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা পাওয়া গেছে। তবে ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এসব ক্ষতি বাংলাদেশে হয়নি; বরং লাগেজগুলো যে স্থান থেকে এসেছে, সেখানেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD