মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন




টানা তিন মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬ ৭:২৯ pm
দাম বাড়বে কমবে inflation food market খাদ্যপণ্য খাদ্য পণ্য মূল্যস্ফীতি
file pic

জুন মাসে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও টানা তিন মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি আছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে, গত জুন মাসে মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। গত মে মাসে ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের পরে, অর্থাৎ ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি। এ ছাড়া টানা দুই মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি আছে।

সোমবার (৬ জুলাই) জুন মাসের মূল্যস্ফীতির চিত্র প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। বিবিএসের হিসাব অনুসারে, গত জুন মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৬০ শতাংশ। আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয় ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ। গ্রাম-শহরনির্বিশেষে সার্বিক মূল্যস্ফীতি এখন ৯ শতাংশের বেশি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (জুলাই-জুন) গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব মূল্যস্ফীতিতে পড়েছে। এর ফলে সীমিত ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো ওপর খরচের চাপে আছে। গত এপ্রিল ও মে মাসে দুই দফা জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে এবং মে মাসের শেষ সপ্তাহে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে পরিবহন খরচ থেকে শুরু করে পণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়ে। ফলে ভোক্তাদের আগের চেয়ে বেশি দামে পণ্য কিনতে হয়।

মূল্যস্ফীতি বাড়লে সীমিত ও মধ্য আয়ের মানুষের কষ্ট বাড়ে। আয় না বাড়লে তাদের সংসার চালানোর খরচ বেড়ে যায়। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পণ্য পরিবহনের খরচ বেড়েছে। ফলে বাজারে শাকসবজি, মাছ-মাংসের দাম বেড়েছে। বাড়তি চালের দামও।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD