চলতি সপ্তাহে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্প, ১৯৯৯ সালের ভূমিকম্পের চেয়ে তিন গুণ বেশি শক্তিশালী ছিল বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েব এরদোয়ান। ১৯৯৯ সালে তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মারমারায়
জাতিসংঘের ত্রাণ বিষয়ক এক কর্মকর্তা বলেছেন, ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে সরকারের হিসাবে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ২৮ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘের জরুরি ত্রাণ
স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেবল তুরস্কেই নিহতের সংখ্যা ২১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। আর প্রতিবেশী সিরিয়ায় প্রাণ গেছে সাড়ে ৩ হাজারের বেশি মানুষের। এ নিয়ে সোমবারের ভূমিকম্পে প্রাণহানি ২৫ হাজার ছাড়িয়েছে। ভূমিকম্পে
গত কয়েক দশকের ভয়াবহতম ভূমিকম্পের পর গত ৫ দিনে তুরস্ক ও সিরিয়া থেকে উদ্ধারকৃত মৃতদেহের সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় ২৪ হাজারে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দুই দেশের সরকারি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তরের বরাত
তুরস্ক-সিরিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর দেখা গেছে, দেশ দুইটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২ হাজার ছাড়িয়েছে। ঘটনার চারদিন পরও ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া
দেশে বর্তমানে ডালের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২৬ লাখ টন। সেখানে উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ১০ লাখ টন। অতিরিক্ত চাহিদা পূরণে প্রতি বছর বিদেশ থেকে বিভিন্ন পদের প্রায় ১৩-১৪ লাখ টন ডাল
প্রচণ্ড ঠান্ডা—সঙ্গে বাতাস, কখনও আবার বৃষ্টি, এমন প্রতিকূল আবহাওয়ায় তুরস্ক-সিরিয়ায় গত সোমবার ঘটে যাওয়া ভূমিকম্পে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। চারদিনে অনেককে জীবিত বের করে আনা গেলেও সময় বাড়ার সঙ্গে তা ক্ষীণ
ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃত্যুমিছিল থামছে না। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হুহু করে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। ধ্বংসস্তূপের আশেপাশে পড়ে যাচ্ছে উদ্ধার করা লাশের সারি।বৃহস্পতিবার দেশ দুটিতে মৃতের সংখ্যা
ভারতের আদানি গোষ্ঠীর কাছ থেকে বিদ্যুৎ কেনায় মূল্যছাড় চাইছে বাংলাদেশ। গত মঙ্গলবার ভারতের স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে প্রকাশিত এক চিঠিতে বিষয়টি জানা গেছে। তবে বাংলাদেশের কাছে বিদ্যুৎ বিক্রির চুক্তির শর্ত নিয়ে
তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা সাড়ে ১৭ হাজার ছাড়িয়েছে। এখনো বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন। তাঁদের উদ্ধারে চলছে তৎপরতা। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আটকে পড়া এসব