স্বাস্থ্যসেবা নিতে গিয়ে দেশে এখনও বড় ধরনের আর্থিক ঝুঁকির মুখে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব বলছে, চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে বাংলাদেশের ৪৪ শতাংশ
দেশে এক বছরে নতুন এইচআইভি এইডস রোগী বেড়েছে প্রায় ৩৯ শতাংশ। ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত নতুন করে এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়েছেন আনুমানিক দুই হাজার মানুষ। আগের বছর
দেশের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি রোগীদের ৪১ শতাংশের ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর হয়নি বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)। সোমবার আইইডিসিআর আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ন্যাশনাল এএমআর সার্ভেলেন্স রিপোর্ট-২০২৫’ প্রকাশ
জীবনরক্ষাকারী ওষুধের মূল্য নির্ধারণ বিষয়ে সরকারের ক্ষমতা সীমিত করে ১৯৯৪ সালে জারি করা সার্কুলারকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে জীবনরক্ষাকারী সব ওষুধের মূল্য সরকারকে নির্ধারণ করার
দেশে ১ কোটি ৩৮ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে ভুগছেন। যাদের প্রায় অর্ধেকই নারী। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সারা বিশ্বেই ডায়াবেটিস মহামারি আকার ধারণ করেছে। ডায়াবেটিস শুধু একজন ব্যক্তির বিষয় নয়, এটি কর্মক্ষেত্রের উৎপাদনশীলতার
দেশে কর্মক্ষম মানুষের মধ্যে ডায়াবেটিস আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। গত দুই যুগে ডায়াবেটিক রোগী হয়েছে প্রায় আট গুণ। ২০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী প্রতি ১০ জনের মধ্যে সাতজনই কোনো
বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় দেশে সরকারিভাবে বিশেষায়িত কোনো হাসপাতাল নেই। গত কয়েক বছরে ঢাকাসহ দেশের একাধিক শহরে ২৫টি সহায়ক প্রজনন প্রযুক্তি আইভিএফ (ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) সেন্টার গড়ে উঠেছে, এতে সফলতাও মিলছে। তারপরও
এডিস মশাবাহী ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রোগীর সংখ্যাও। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে চাপ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনের তথ্যমতে, মাস হিসেবে চলতি বছরের অক্টোবরে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ও আক্রান্তের
ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা) আরো ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে এ বছর এখন পর্যন্ত মশাবাহিত জ্বরটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬৯ জনে। এছাড়া
সিস্টিক ফাইব্রোসিস একটি বিরল কিন্তু প্রাণঘাতী জেনেটিক রোগ। এ রোগে আক্রান্ত রোগীদের গড় আয়ু খুব কম। বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ১ লাখ ৮৯ হাজার মানুষ এই রোগে ভুগছেন। যার মাত্র ৬০ শতাংশ