লিওনেল মেসিকে ঘিরে প্রত্যাশা কম নয়। আর্জেন্টাইন সমর্থকরা মনে করছেন, ডিয়েগো ম্যারাডোনার উত্তরসূরী হয়ে এবার কাতারে ট্রফি উঁচিয়ে ধরবেন তারাই। তাই তো আর্জেন্টাইন বড় তারকার ওপর দৃষ্টি সবার। তবে টানা
কাতারের বেশির ভাগ জায়গায় অ্যালকোহল নিষিদ্ধ হলেও বিশ্বকাপের স্টেডিয়ামগুলোতে ব্যতিক্রম হবে বলে জানানো হয়েছিল। উদ্বোধনী ম্যাচের ভেন্যু আল বায়ত স্টেডিয়ামের বাইরে বিয়ারের অস্থায়ী দোকানও বসানো হয়েছিল। তবে বিশ্বকাপ শুরুর দুই
কাতার বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশ- শুনে হয়তো অবাক হয়েছেন। এটা কী করে সম্ভব! বাংলাদেশ ফুটবল দলের কাছে বিশ্বকাপ তো কল্পনারও বাইরে। তবে বাংলাদেশ দল না থাকলেও বিশ্বকাপের মঞ্চে আছে দেশের মানুষ।
অলিম্পিকের চেয়ে বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে বড় ক্রীড়া ইভেন্ট ফুটবল বিশ্বকাপ। এবার জমজমাট আসরটি বসেছে আরব রাষ্ট্র কাতারে। খেলায় চোখ রাখতে যাচ্ছেন পাঁচশো কোটিরও বেশি ফুটবল প্রেমিক। আর ১০ লাখ মানুষ
এমিরেটস যাত্রীরা ফ্লাইটে বসেই কাতারে অনুষ্ঠেয় ফিফা বিশ্বকাপের সকল ম্যাচ লাইভ দেখার সুযোগ পাবেন। ২০ নভেম্বর থেকে সবগুলো ম্যাচ স্পোর্টস টুয়েন্টি ফোর চ্যানেলে লাইভ সম্প্রচার করবে এয়ারলাইনের বিনোদন প্রোগ্রাম- ‘আইস’।
কাতার বিশ্বকাপ এবার অনেক কারণেই অনন্য। যার মধ্যে একটি হচ্ছে প্রথমবারের মতো নারী রেফারি দেখা যাবে ছেলেদের বিশ্বকাপে। তাদের নিয়ে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছিলেন ফিফার হেড অফ রেফারিজ পিয়ার
কাতারে আগামী ২০ নভেম্বর থেকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবল। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ৩২টি দল ৮টি ভিন্ন ভিন্ন স্টেডিয়ামে খেলবে। এরমধ্যে আল-রাইয়ান শহরে অবস্থিত ‘এডুকেশন সিটি স্টেডিয়াম’ অন্যতম। স্টেডিয়ামটি নির্মাণে বিশেষ
নিজেদের ৩৬ বছরের বিশ্বকাপ শিরোপাখরা কাটাতে এবার কাতারকে পাখির চোখ করেছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে পৌঁছেও গেছে দলটি। আর সব বারের মতো এবারের বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার প্রাণভোমরা সেই মেসিই।
‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ নামে খ্যাত ফিফা বিশ্বকাপ একদম সন্নিকটে। তাই বিশ্বকাপে অংশ নিতে একে একে কাতারে পাড়ি জমাচ্ছে দলগুলো। তারই ধারাবাহিকতায় এবার বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ কাতারে পা রাখল
দরজায় কড়া নাড়ছে কাতার বিশ্বকাপ। ফুটবলের মহাযজ্ঞ শুরুর আগ মুহূর্তে নিজের ইচ্ছার কথা জানালেন সময়ের অন্যতম সেরা তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানোর রোনালদো। ফাইনালে নেইমারের ব্রাজিলের বিপক্ষে নাকি খুব ইচ্ছা এই পর্তুগিজ