ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপা হারানোর পর আর্জেন্টিনা ও স্পেনের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই
বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের রাতেই ইতিহাসের পাতায় নতুন অধ্যায় লিখেছে স্পেন। আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে টানা ৩৮ ম্যাচ অপরাজিত থেকে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছে লা রোহারা।
২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে আক্রমণে সম্পূর্ণ নিষ্প্রভ ছিল আর্জেন্টিনা। ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিটে একটিও শট নিতে পারেনি লিওনেল স্কালোনির দল, যা বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা। শুধু তাই নয়,
টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জিতে ইতিহাস গড়লেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এই কীর্তি গড়া প্রথম খেলোয়াড় হলেন তিনি। আট ম্যাচে ১০ গোল করে লিওনেল মেসিকে পেছনে ফেলে এবারের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার
গোল্ডেন বল স্পেন অধিনায়ক রদ্রি। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে স্পেনের মাঝমাঠকে অসাধারণ দক্ষতায় নিয়ন্ত্রণ করে দলকে শিরোপা জয়ে নেতৃত্ব দেন তিনি। ফাইনালেও তার প্রভাব ছিল চোখে পড়ার মতো। এই কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, যারা জুলাই চেতনার ওপর ভিত্তি করে রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তুলেছেন তাদের প্রতি আমার নসিহত হলো— শুধুমাত্র জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করে বেশিদিন রাজনীতি করা যাবে না। তিনি
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিভ্রান্তির চেষ্টা করা হচ্ছে। জুলাই সনদে যেসব রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছে, সেখানে পরিষ্কার করে বলা আছে,
বিশ্বকাপের মঞ্চে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ যে এতটা উত্তেজনায় ঠাসা হতে পারে, তা হয়তো ভাবেননি কেউই। মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার সান্ত্বনার লড়াইটি শেষ পর্যন্ত রূপ নিল
আসন্ন সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সিটি সফরের কথা রয়েছে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর। তবে তার এই সম্ভাব্য সফরকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভ ও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রেস টিভি জানিয়েছে, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে একটি সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং ইরানের সেনাবাহিনী। এই অভিযানের