যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালি সব সময় উন্মুক্ত থাকবে এবং ইরানকে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথকে ‘অস্ত্র হিসেবে’ ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে
জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন ‘মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন শুরু করেছে ইরান। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সমুদ্রপথটি এখন থেকে সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে না, বরং শত্রুপক্ষ বা বিরোধীদের
বিশ্ব রাজনীতির মানচিত্রে সামরিক শক্তি, কূটনৈতিক প্রভাব কিংবা অর্থনৈতিক ক্ষমতার বাইরে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আন্তর্জাতিক জনমত। আর সেই জনমতের বিচারে চলতি বছর বিশ্বের সবচেয়ে নেতিবাচকভাবে দেখা রাষ্ট্রের তকমা পেয়েছে
ক্ষমতায় এসেই গরু ও মোষ জবাই সংক্রান্ত কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গের শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের নির্দেশের উল্লেখ করে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ক্রেডিট রেটিংস প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের অর্থনীতির সার্বিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে বলেছে, দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের বৈদেশিক খাতে ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে সংস্কার কার্যক্রমে অগ্রগতি ধীর হওয়ার কারণে এমন
ইরান যুদ্ধের তুঙ্গে থাকার সময় গোপনে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছিলেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বুধবার রাতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই সফর ইসরাইল ও
ইরান যুদ্ধের মধ্যে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আবুধাবিতে ‘গোপন সফর’ করেছেন বলে তার দপ্তরের দাবি নাকচ করে দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দ্বিপক্ষীয়
কোনো উস্কানি ছাড়াই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় দখলদার ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। এরপর তাদের সঙ্গে ইরানের টানা ৪০ দিন যুদ্ধ হয়। এই যুদ্ধের মধ্যেই গোপনে ও লুকিয়ে সংযুক্ত
লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ২১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এর মধ্যে ১৬ জন লেবানিজ নাগরিক এবং ৫টি লেবানন-ভিত্তিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।