পঞ্চগড়ে ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমেল বাতাসে হিমালয় পাদদেশের এই জেলার স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, যানবাহন চালক, শিশু ও
সার্ভিস লাইন নির্মাণ কাজের জন্য বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাত ১০টা পর্যন্ত রাজধানীর উত্তরাসহ বেশকিছু এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
রাজধানী ঢাকায় সকাল থেকে হালকা-মাঝারি কুয়াশা দেখা যায়। ভোর ৬টায় তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ২ ডিগ্রিতে। তবে দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, ফলে দুপুরের দিকে আবহাওয়া তুলনামূলক
পৌষের শেষে এসে জেঁকে বসেছে শীত। এবারের শীত মৌসুমে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজশাহীতে সর্বনিম্ন ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে গত ৩১ ডিসেম্বর মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় আজ সকালের পর কমতে পারে কুয়াশা। সেই সঙ্গে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী
শৈত্যপ্রবাহের কারণে সোমবার (৫ জানুয়ারি) দেশের বিভিন্ন বিভাগে তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে বলে জানিয়েছেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ। রোববার (৪ জুানয়ারি)
সারা দেশে অস্বাভাবিকভাবে কমেছে দিনের তাপমাত্রা। রোদের দেখা নেই বলেলেই চলে। ঘন কুয়াশা আর ঠান্ডার চাদর চারপাশে। পৌষের এমন শীতে কাঁপছে পুরো দেশ। বিপর্যস্ত জনজীবন, কমে গেছে মানুষের চলাচল। প্রয়োজন
ঢাকায় শীতের তীব্রতা আরো বেড়েছে। এর সঙ্গে বেড়েছে কুয়াশার ঘনত্ব ও হিমেল বাতাসের দাপট। ভোর থেকেই ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। শীত ও কুয়াশার কারণে বিপর্যস্ত হয়ে
আজও কুয়াশায় ঢাকা সারা দেশ। কোথাও সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। পৌষের হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে জনজীবন। উত্তরের হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত জনজীবন। গত তিন দিন ধরেই চলছে শৈত্যপ্রবাহ। শুক্রবারও ২১টি জেলায়
ঘন কুয়াশার কারণে শরীয়তপুর-চাঁদপুর নৌরুটে ফেরি চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে নৌপথের দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে নরসিংহপুর বিআইডব্লিউটিসি