অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে বিধ্বংসী রূপ দেখিয়েছে বাংলাদেশ। টানা তিন জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ‘সুপার সিক্স’ নিশ্চিত করে জুনিয়র টাইগ্রেসরা। তবে দ্বিতীয় পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই হারের স্বাদ পায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ক্রিকেট দল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হেরে যায় ৫ উইকেটে। শনিবার পচেফস্ট্রোমে গ্রুপ ওয়ানের ম্যাচে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ উইকেটে মাত্র ১০৬ রান তোলে বাংলাদেশ। স্বল্প রান তাড়ায় ৫ উইকেট হারিয়ে ৭ বল হাতে রেখে জয় বন্দরে পৌঁছায় প্রোটিয়া মেয়েরা।
টার্গেট দিয়ে বোলিংয়ে দুর্দান্ত শুরু করেছিল বাংলাদেশ। দলীয় ৪ রানে প্রথম উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। দিপা খাতুনের নৈপুণ্যে ২ রানে কাটা পড়ে এলান্ড্রি জান্সে ভ্যান রেন্সবার্গের উইকেট। দ্বিতীয় উইকেটে ২৬ রানের জুটি গড়েন সিমন্স লরেন্স এবং কাইল রেনেকে। ২২ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ২৬ রান নিয়ে লরেন্স ফিরলে ভাঙে এই জুটি।
এরপর দ্রুতই আরও দুই উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। দলীয় সংগ্রহে ৩ রান যোগ করতে সাজঘরে ফেরেন রেনেকে (৪) এবং মিয়ানে স্মিট (০)। খাদের কিনারায় থাকা দলকে টেনে তুলে ৭০ রানের জুটি গড়েন ম্যাডিসন ল্যান্ডসম্যান এবং কারাবো মেসো। ৩৮ বরে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৩৭ রান করে ম্যাচসেরা হন ম্যাডিসন। ৩০ বলে ৩২ রান করে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন মেসো। ১ রানে অপরাজিত ছিলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক ওলিহলে সিও।
বাংলাদেশের রাবেয়া খাতুন ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। এক উইকেট পান মারুফা আক্তার।
এর আগে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনিং জুটিতে ২৬ রান তোলে বাংলাদেশ। ১৪ বলে ১২ রান করে প্রথম উইকেট হিসেবে সাজঘরে ফেরেন মিষ্টি সাহা। বাংলাদেশের ইনিংসে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান করেন সুমাইয়া আক্তার। ২৮ বলে ১ বাউন্ডারিতে ২৪ রান করেন তিনি। এছাড়া আফিয়া প্রত্যাশা ২১, স্বর্ণা আক্তার ২০ এবং দিলারা আক্তার ১৭ রান করেন। বাকিদের কেউ ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্কের কোঠা। দক্ষিণ আফ্রিকার কাইল রেনেকে ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন।