মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ন




জলবায়ু ইস্যুতে ৩৭৩ বিলিয়ন ডলার চায় বাংলাদেশ

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২০ মার্চ, ২০২৩ ৯:১৯ pm
Climate Change Conference COP27 climate জলবায়ু সম্মেলন সম্মেলন Conference জলবায়ু climate cop কপ
file pic

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, জাতীয় জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আগামী ২৭ বছরের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা নতুন ও অতিরিক্ত অর্থ হিসেবে প্রতিবছর প্রায় ১৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের এনডিসি লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য শর্তসাপেক্ষ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা থেকে প্রয়োজন ১৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আমাদের জলবায়ু অর্থায়নে সহজ এবং দ্রুত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

সোমবার (২০ মার্চ) ডেনমার্কের কোপেনহেগেনের এইটভেডস পাখোজে (Eigtveds Pakhus) অনুষ্ঠিত ‘ড্রাইভিং ক্লাইমেট অ্যাকশন, ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যান্ড প্রোগ্রেস’ থিম নিয়ে প্রথম কোপেনহেগেন মন্ত্রী পর্যায়ের জলবায়ু সম্মেলনে পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, অভিযোজন এবং প্রশমনের মধ্যে সমান ভারসাম্য রেখে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় পদক্ষেপগুলোকে সমর্থন করার জন্য উন্নত দেশগুলোকে এই বছর থেকে বছরে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হবে। স্বেচ্ছাসেবী দাতা সহায়তার বাইরে অভিযোজনের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য জরুরিভাবে নতুন, অনুমানযোগ্য এবং পর্যাপ্ত অনুদানভিত্তিক পাবলিক অর্থায়ন প্রয়োজন।

মন্ত্রী বলেন, ন্যাপ কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য আর্থিক ব্যবস্থার সমাধান করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশ উন্নত দেশগুলোর প্রতি দ্বিগুণ অভিযোজন অর্থায়নের আহ্বান জানিয়েছে। এলডিসি গ্রুপের অবস্থানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে, বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলিতে অনুদানভিত্তিক অভিযোজন সহায়তার জন্য জলবায়ু অর্থায়নের উচ্চাভিলাষী অবদান নিশ্চিত করতে উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করে।

মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস নাগালের মধ্যে রাখার জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক গ্রিন হাউজ গ্যাসের নির্গমন ৪৩ শতাংশ কমাতে ‘মিটিগেশন ওয়ার্ক প্রোগ্রাম’ সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দেশগুলিকে ঐকমত্য পোষণ করতে হবে। প্রশমন কর্মসূচিকে পর্যাপ্ত আর্থিক সংস্থান, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রশমন কর্মকাণ্ডের কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য সক্ষম করার শর্ত তৈরি করা উচিত।

এর আগে মন্ত্রী ডেনমার্কে বাংলাদেশ দূতাবাসে রাষ্ট্রদূত একেএম শহীদুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD