সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন




খুলনায় প্রস্তুত ৯২ হাজার কোরবানির পশু, ২৭ হাটে বেচাকেনা

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১১ জুন, ২০২৩ ১০:৩৯ am
livestock Friesian Friesian Cross Cattle Australian Cattle Feed Cow Farm Agro livestock Cattle farming Heife Dairy farming agriculture milk product bull cow bulls cows Qurbani Eid farmers beef fattening established trade ক্যাটল কাটল এক্সপো গবাদিপশু পালন মেলা পশুপাখি মেলা একটি বাড়ি একটি খামার খামারি খামারী খামার গরু প্রদর্শিত অ্যাগ্রো গোখাদ্য এগ্রো ফার্মা প্রদর্শন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কোরবানি গরু মোটাতাজা জাত cow cow
file pic/ সিএনএন

ঈদুল আজহা সামনে রেখে এবার খুলনায় চাহিদার তুলনায় বেশি পশু লালন-পালন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে জেলার বিভিন্ন হাটবাজারে কোরবানির পশু তুলতে শুরু করেছেন খামারি ও কৃষকরা। মহানগর ও জেলায় এবার পশুর হাট বসবে ২৭টি। এর মধ্যে জেলার ৯টি উপজেলায় ২৬টি ও মহানগরে একটি হাট বসবে।

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তথ্যমতে,এ বছর জেলায় ৯২ হাজার ৩৭৫টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত আছে। এর মধ্যে গরু ২৬ হাজার ৪১৬, ছাগল ৬৩ হাজার ৪৭৫ ও ভেড়া দুই হাজার ৪৩৮টি। জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৮৯ হাজার ৮৬৭টির। হিবেবে প্রায় তিন হাজার পশু বেশি আছে।

খামারি ও কৃষকরা বলছেন,এ বছর গরুর দাম বেশি হওয়ায় কেনাবেচা কম হচ্ছে। ফলে লাভও কম হবে। তবে শেষ মুহূর্তে ভারতীয় গরু দেশে না এলে বেচাকেনা ভালোই হবে। দামও ভালো পাবেন তারা।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে,জেলার ৯ উপজেলায় ২৬টি হাটের মধ্যে রূপসায় তিন, ফুলতলায় এক, পাইকগাছায় চার, ডুমুরিয়ায় চার, তেরখাদায় এক, দিঘলিয়ায় চার, দাকোপে দুই, কয়রায় ছয় ও বটিয়াঘাটায় একটি হাট বসবে। পাশাপাশি মহানগরে একটি হাট বসবে।

জেলার কয়েকটি খামার ঘুরে দেখা গেছে, খামারিরা পশু পালনে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। শেষ মুহূর্তে পশুগুলোর বাড়তি যত্ন নিচ্ছেন তারা। কেউ কেউ বাজারে পশু উঠালেও দাম কম বলায় বিক্রি করেননি।

কয়েকজন খামারি জানিয়েছেন,সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে পশু লালন-পালন করছেন তারা। খাবার হিসেবে আলু, খেসারির ডাল, মসুর ডাল, খড়, খৈল ও ধানের কুঁড়া খাইয়ে পশু মোটাতাজা করছেন। এবার গোখাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় পশু পালনে বেশি অর্থ খরচ হয়েছে তাদের। ফলে বাজারে পশুর দাম বেশি থাকবে।

ডুমুরিয়া উপজেলার মিকশিমিল গ্রামের খামারি শিমুল আহসান বলেন, ‘আমার খামারে ১২টি গরু আছে। এর মধ্যে কোরবানির হাটে তুলবো চারটি। এগুলো পাঁচ-সাত মণ ওজনের। আশা করছি, ভালো দামে বিক্রি করতে পারবো।’

একই উপজেলার খামারি ডালিম গাজী বলেন, ‘আমার খামারে ১৩টি গরু আছে। চারটি এবারের কোরবানিতে বিক্রি করবো। একেকটি সাত-আট মণ ওজনের। এবার গোখাদ্যের দাম বেশি। ফলে বেশি দামে গরু বিক্রি করতে হবে।’

ডুমুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এজাজ আহমেদের খামারে ৫৩টি গরু আছে। এবারের ঈদের জন্য এগুলো প্রস্তুত করেছেন। তিনি বলেন,‘সবগুলো গরু বিক্রি করবো। বাজারে তুলবো, কেউ চাইলে বাড়ি থেকে কিনতে পারবে।’

পশু পালনে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মীরা মাঠপর্যায়ে খামারিদের পরামর্শ দিচ্ছেন এবং নিয়মিত উঠান বৈঠক করেছেন বলে জানালেন জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কর্মকর্তা ডা. এস এম আইয়ুব আলী। তিনি বলেন, ‘কোরবানির ঈদে নিরাপদ মাংস যাতে মানুষ পায়, সেজন্য আমরা মাঠপর্যায়ে খামারিদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। অধিকাংশ খামারের পশুগুলো ইতোমধ্যে বাজারে উঠতে শুরু করেছে। তবে এখনও বাজার জমেনি। জুনের শেষভাগে জেলার পশুর হাটগুলোতে বেচাকেনা জমে উঠবে।’




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD