রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন




প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর, পররাষ্ট্রনীতির প্রথম পরীক্ষা

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬ ১২:১৩ pm
Tarique Rahman তারেক রহমান Bangladesh Nationalist Party BNP ‎বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি tarek-rahman
file pic

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর রোববার প্রথম বিদেশ সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান। ১৮ ঘণ্টার মালয়েশিয়া সফর শেষে কুয়ালালামপুর থেকে চীন যাবেন চার দিনের জন্য। মালয়েশিয়া সফরে মাত্র একটি সমঝোতা স্মারক সই হবে। চীনে হবে মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণসহ ১৭ দ্বিপক্ষীয় দলিল সই।

প্রতিবেশী ভারতের পরিবর্তে চীনকে কার্যত প্রথম সফর হিসেবে বেছে নেওয়া রাজনৈতিক গুরুত্বও বহন করছে বলে অভিমত কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের। তাঁরা বলছেন, ঢাকার নজর কৌশলগত অংশীদারিত্বে। এই সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে যখন এই অঞ্চলের রাজনীতিতে ভারত-চীন প্রতিযোগিতা, ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং উন্নয়ন সহযোগিতা সবকিছুই নতুন সমীকরণের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির প্রথম পরীক্ষা
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরের গুরুত্ব শুধু কোথায় যাচ্ছেন, তার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং কোন বার্তা নিয়ে যাচ্ছেন সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

তাদের মতে, মালয়েশিয়া ও চীন সফরের মধ্য দিয়ে নতুন সরকার তিনটি বিষয় সামনে আনতে চাইছে– অর্থনৈতিক অংশীদার বাড়ানো, আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখা এবং বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান স্পষ্ট করা।

ভারত, চীন ও পশ্চিমা বিশ্বের পরিবর্তিত সম্পর্কের বাস্তবতায় বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে সব পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে নিজের স্বার্থ রক্ষা করা।
সেই দিক থেকে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির প্রথম বড় পরীক্ষা হিসেবেই দেখছে কূটনৈতিক মহল।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রথম সফরের গন্তব্য হিসেবে মালয়েশিয়াকে বেছে নেওয়ার মধ্য দিয়ে ঢাকা ভারসাম্যের বার্তা দিতে চেয়েছে। একই সঙ্গে চীন সফরের মাধ্যমে নতুন সরকারের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের অগ্রাধিকারও স্পষ্ট হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরের আগের দিন গতকাল শনিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে দেখা করেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি মার্কিন ফুটবল দলের বিজয়কে রূপক ধরে বলেন, ‘দীর্ঘ মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বাজি ধরলে ভুল হবে না।’

ঢাকায় আসার পাঁচ মাস পর গতকালই প্রথমবারের মতো সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ক্রিস্টেনসেন। তবে তিনি কোনো প্রশ্নের জবাব দেননি। সাংবাদিকদের বলেন, ‘একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করেছি। গত রাতে (শুক্রবার) যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপ ফুটবলে দারুণ জয় পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র দলকে সমর্থন দিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের জনগণকে উৎসাহিত করছি। কারণ, দীর্ঘ মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বাজি ধরলে ভুল হবে না।’

ইঙ্গিতপূর্ণ এই বক্তব্য দিয়ে রাষ্ট্রদূত চলে যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানান, নিয়মিত কূটনৈতিক সাক্ষাতের অংশ হিসেবে ক্রিস্টেনসেন দেখা করেন। উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কোন দেশ সফর করবেন, তা অন্য কোনো দেশ ঠিক করবে না। বাংলাদেশ এখন সার্বভৌম পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে।

যদিও প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফরের আগের দিনে গতকাল সেগুনবাগিচার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিন প্রভাবশালী রাষ্ট্র জাপান, যুক্তরাজ্য ও সুইডেনের দূতরাও। জাপানও বৈশ্বিক রাজনীতিতে চীনের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত।

দিল্লি-বেইজিংয়ের আগে কুয়ালালামপুর
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে ভারত ও চীনের গুরুত্ব বেশি। আওয়ামী লীগ আমলে দিল্লির প্রভাব নিয়ে বিএনপি প্রকাশ্যে উষ্মা প্রকাশ করত। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর চীন দ্রুতই তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার ও বিএনপি-জামায়াতসহ আওয়ামী লীগবিরোধী দলগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ তৈরি করে। অন্যদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক তলানিতে নামলেও ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে থেকেই দিল্লি পরবর্তী নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ দেখায়।

বিএনপির সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে ভারতের উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর ঢাকায় এসে শেষ শ্রদ্ধা জানান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে পাঠান দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

শপথের পরই ভারতের স্পিকার ওম বিড়লা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষে এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন তারেক রহমানকে নিজ নিজ দেশ সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। মে মাসে চীনের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণের চিঠি আসে।

আবার সরকার গঠনের পর চীনের আমন্ত্রণে সে দেশ সফর করে এসেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা। ভারতে যাননি কেউ। তবে ভারত ও চীন উভয় দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সফরের আমন্ত্রণ জানায়।

এদিকে গত এপ্রিলে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের মালয়েশিয়া সফরকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। মূলত প্রথম বিদেশ সফরে ভারত ও চীনের ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েন এড়াতে তৃতীয় দেশ হিসেবে মালয়েশিয়া ঢাকার নীতিনির্ধারকদের কাছে প্রাধান্য পায় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, মালয়েশিয়া এমন একটি দেশ, যার সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। একই সঙ্গে দেশটি চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে কূটনীতি পরিচালনা করে। ফলে ঢাকার জন্যও ভারসাম্যের বার্তা দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকার শুরুতেই চাইছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কোনো একক শক্তিকে কেন্দ্র করে নয়, বরং জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে বহুমুখী সম্পর্কের পথে এগোবে।

চীনে কৌশলগত অংশীদারিত্বে নজর
বেইজিং সফর শুধু বিনিয়োগ বা বাণিজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এর সঙ্গে বাংলাদেশের আঞ্চলিক অবস্থানও যুক্ত। আগের রাতে চীন পৌঁছে, ২৩ জুন সকালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট এবং সিইও বোর্গে ব্রেন্দের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান।

এদিন সন্ধ্যায় দালিয়ান আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টারে ‘পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জলবায়ু নেতৃত্ব’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। ২৪ জুন দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ‘অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়ন্স’-এ বিশ্ব অর্থনীতি, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও এশিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনায় অংশ নেবেন। ফোরামের বাইরে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিন সন্ধ্যায় দালিয়ান থেকে বেইজিং পৌঁছাবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। পরদিন ২৫ জুন সকালে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরামের সম্মেলনে যোগ দেবেন। বিকেলে চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন তারেক রহমান। এরপর দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে একান্ত বৈঠক হওয়ার কথা। সফরের শেষ দিন ২৬ জুন সকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিন বিকেলে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের খুঁটিনাটি চূড়ান্ত করতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম বেইজিং গিয়ে চীনের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে জানা গেছে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, নতুন সরকারের সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্ক কোন পথে যাবে, এই সফর তার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সফরে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরসহ উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল অংশ নেবে।

চীনে ১৭ সমঝোতা ও প্রটোকল সই
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে শুধু কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ রাখতে চায় না ঢাকা। বরং চীনা বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও বাজারে প্রবেশাধিকারের সুযোগ বাড়ানোর দিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সফরে ১৩ সমঝোতা স্মারক, দুটি চুক্তি, একটি করে পরিকল্পনা ও প্রটোকল সই হতে পারে। গতকাল শনিবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

প্রস্তাবিত সমঝোতার মধ্যে রয়েছে– বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের আওতায় সহযোগিতা জোরদার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে অংশীদারিত্ব, বাংলাদেশি পণ্যের চীনা বাজারে প্রবেশ সহজ করা, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ও বহুপক্ষীয় বাণিজ্য ব্যবস্থাকে সমর্থন, জ্বালানি খাতে সবুজ উন্নয়ন, বাংলাদেশ থেকে তাজা কাঁঠাল রপ্তানির প্রটোকল, উন্নয়ন সহযোগিতা, বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন, মোংলা বন্দর সম্প্রসারণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, চীনা ভাষা শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা এবং গণমাধ্যম সহযোগিতাবিষয়ক একাধিক সমঝোতা স্মারক।

সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রযুক্তি আনা এবং বাংলাদেশের উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

তিস্তা নিয়ে আলোচনা
প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকের তালিকায় তিস্তা প্রকল্প নেই। তার পরও সফরের সময় তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে। বাংলাদেশ জানতে চাইবে, দীর্ঘদিন আলোচনায় থাকা এই প্রকল্পে চীন অর্থায়নে আগ্রহী কিনা। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, তিস্তা শুধু নদী ব্যবস্থাপনার বিষয় নয়, এর সঙ্গে ভারত-চীন সম্পর্ক এবং দেশের কৌশলগত বাস্তবতাও জড়িত। ফলে সফরে তিস্তা প্রসঙ্গ উঠলে তা শুধু উন্নয়ন সহযোগিতার আলোচনায় সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং আঞ্চলিক রাজনীতির দিক থেকেও তা গুরুত্বপূর্ণ হবে।

চীনা বিনিয়োগে নজর
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের সময় বেইজিংয়ে একটি বড় বিনিয়োগ সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। সেখানে চীনা উদ্যোক্তাদের সামনে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরা হবে। বাংলাদেশে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল, অবকাঠামো উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বৈদ্যুতিক যান উৎপাদন এবং প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

এ ছাড়া মোংলা বন্দর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্প নিয়েও সহযোগিতার আলোচনা রয়েছে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়াতে প্রকল্পটিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে সরকার। স্বাস্থ্য খাতেও সহযোগিতার সম্ভাবনা রয়েছে। নীলফামারীতে এক হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে অগ্রগতি হতে পারে। সমকাল




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD