শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন




আনসারে বিশৃঙ্খলা করলে মৃত্যুদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ৬:৪৪ pm
Prime Minister Sheikh Hasina Wazed প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা Sheikh Hasina Prime Minister Bangladesh প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা Cabinet Secretary মন্ত্রিপরিষদ hasina pm
file pic

আনসার ব্যাটালিয়নের কোনো সদস্য বিদ্রোহে জড়ালেই সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডের মতো কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে। এ ছাড়া অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী, বিদ্রোহী কিংবা বিদ্রোহে প্ররোচনাকারীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হবে। তবে সশ্রম কারাদণ্ডের মেয়াদ ৫ বছরের কম হবে না। বিশেষ আনসার ব্যাটালিয়ন আদালতে বিচারের পর ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে দণ্ড কার্যকর হবে। এমন সব বিধান রেখে আনসার ব্যাটালিয়ন আইন-২০২৩-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আইনটি মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ।

সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনের অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন। নতুন আইন কার্যকর হলে বিদ্যমান ব্যাটালিয়ন আনসার আইন ১৯৯৫ রহিত হয়ে যাবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব বলেন, বিদ্রোহ সংগঠন বা বিদ্রোহ সংগঠনের প্ররোচনায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রাখা হয়েছে। আগের আইনে বিদ্রোহের বিষয়টি ছিল না। নতুন আইনে অপরাধ বিচারের জন্য সংক্ষিপ্ত আনসার আদালত এবং বিশেষ ছাড় আদালত নামে দুটি আদালত গঠিত হবে।

খসড়ায় বলা হয়েছে, বিদ্রোহ বলতে বোঝাবে, ব্যাটালিয়নের দুই বা ততোধিক সদস্য সম্মিলিতভাবে বাহিনী বা শৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো কর্তৃপক্ষের আইনানুগ আদেশ অমান্য করা বা উক্ত কর্তৃপক্ষের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করা, প্রতিহত করা বা উৎখাত করা অথবা দুই বা ততোধিক ব্যক্তি তাদের বৈধ বা অবৈধ অসন্তুষ্টি সম্মিলিতভাবে কর্তৃপক্ষের কাছে প্রকাশ করা বা ওই রূপ কার্যকরণের কোনো প্রচেষ্টা গ্রহণ করা।

আইনের ২০ ধারায় বলা হয়েছে, ব্যাটালিয়নের কোনো সদস্য বাহিনীর অভ্যন্তরে অথবা শৃঙ্খলা বাহিনীতে বিদ্রোহ করলে, বিদ্রোহে প্ররোচনা দিলে কিংবা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড। তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ কোনোভাবেই পাঁচ বছরের কম হবে না। অপরাধের বিচার হবে বিশেষ আনসার ব্যাটালিয়ন আদালতে। বিশেষ এবং সংক্ষিপ্ত আনসার ব্যাটালিয়ন আদালতের যে কোনো দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বিশেষ এবং আনসার ব্যাটালিয়ন আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করা যাবে। আনসার ব্যাটালিয়ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আদেশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বাহিনীর মহাপরিচালক বরাবর আপিল করতে হবে।

প্রসঙ্গত, বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার বিষয়ে ১৯৯৪ সালের ৩০ নভেম্বর গাজীপুরের সফিপুরে আনসার বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। এ অসন্তোষ একপর্যায়ে বিদ্রোহে রূপ নেয়। সেনাবাহিনী, বিডিআর ও পুলিশের সহযোগিতায় ওই বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণ করে সরকার।

মন্ত্রিসভায় আইনের খসড়া অনুমোদন

 

ভাতাসহ সরকারি প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নের সুযোগ

প্রতিবছর ইন্টার্ন করার সুযোগ দেবে সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ (ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ) নীতিমালা-২০২৩’-এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এরজন্য নির্দিষ্ট হারে দেওয়া হবে ভাতা।

এর মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপের সুযোগ তৈরি হয়েছে। আগ্রহীরা ৩ থেকে ৬ মাসব্যাপী ইন্টার্নশিপের সুযোগ পাবেন। গ্র্যাজুয়েশনের দুই বছরের মধ্যে আবেদন করতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন মনে করলে পুলিশ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই করতে পারবে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে চালু থাকা ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম এ নীতিমালার আওতার বাইরে থাকবে। একই সঙ্গে সামরিক, আধাসামরিকসহ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে ইন্টার্নশিপের সুযোগ থাকছে না।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, তারা কী কাজ করবে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এ ব্যাপার তাদের সঙ্গে বসবে। তিন থেকে ছয় মাস মেয়াদে তারা কাজ করবেন এবং এটি প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, এই নীতিমালাটা শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠান নয়, সব বেসরকারি এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানে যেন এই সুযোগটা থাকে সেজন্যও নির্দেশনা দিয়েছেন। সে অনুযায়ী নীতিমালাটি পুনর্গঠন করা হবে। সে সুযোগটা এখানে রেখে অনুমোদন করা হয়েছে।

এজন্য কী যোগ্যতা লাগবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, একেকটা প্রতিষ্ঠানের চাহিদা একেক রকম, সে অনুযায়ী। সেটি ওই প্রতিষ্ঠান ঠিক করবে, আমার কোন ব্যাকগ্রাউন্ডের ছেলে দরকার।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD