শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন




সাধারণত জঘন্য অপরাধে ডান্ডাবেড়ি পরানো হয়: হাইকোর্ট

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৩ ৫:৪৯ pm
SC সুপ্রিম কোর্ট রায় Supreme Court highcourt হাইকোর্ট আদালত
file pic

জঙ্গি সম্পৃক্ততাসহ জঘন্য অপরাধে সাধারণত ডান্ডাবেড়ি পরানো হয় বলে উল্লেখ করেছেন হাইকোর্ট। যশোরে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার যুবদলের এক নেতাকে ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে চিকিৎসা নিয়ে প্রকাশিত খবর নজরে আনা হলে বুধবার হাইকোর্ট এ কথা বলেন।

‘ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে হাসপাতালের মেঝেতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে যুবদল নেতাকে’ শীর্ষক প্রতিবেদনসহ এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন সকালে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের নজরে আনেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। তিনি আদালতের কাছে সুয়োমোটো (স্বতঃপ্রণোদিত) আদেশ প্রার্থনা করেন।

একপর্যায়ে আদালত বলেন, জঙ্গি সম্পৃক্ততাসহ হিনিয়াস ক্রাইমের (জঘন্য অপরাধের) ক্ষেত্রে সাধারণত অপরাধীকে ডান্ডাবেড়ি পরানো হয়। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের একাধিক সিদ্ধান্তও রয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে ডান্ডাবেড়ি পরানো যাবে, সে বিষয়ে গাইডলাইন (নির্দেশিকা) আছে।

আদালত আরও বলেন, ‘এ বিষয়ে সুয়োমোটো আদেশ দেব না। চাইলে রিট নিয়ে আসতে পারেন।’

এ সময় এ জে মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী কায়সার কামাল, এম বদরুদ্দোজা, মো. রুহুল কুদ্দুস।

পরে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম বদরুদ্দোজা বলেন, ‘ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে যুবদল নেতাকে চিকিৎসার বিষয়টি নিয়ে রিট দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।’

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, যশোরে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার যুবদলের এক নেতাকে ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

পেশায় কলেজশিক্ষক ওই যুবদল নেতা কারাগারে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হলে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালের শয্যায় ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। খাওয়ার সময়ও তাঁর হাতকড়া খোলা হয়নি। এমনকি স্বজনদের সঙ্গে তাঁকে দেখা করতেও দেওয়া হয়নি।

যুবদলের ওই নেতার নাম আমিনুর রহমান। তিনি যশোর জেলা যুবদলের সহসভাপতি ও সদর উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের আমদাবাদ কলেজের প্রভাষক।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডান্ডাবেড়ি পরা তাঁর একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরছে। রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার কলেজের একজন শিক্ষকের সঙ্গে দাগি আসামির মতো আচরণকে ‘মানবাধিকার লঙ্ঘন’ বলছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD